রিপোর্টারদের আগে সম্মান করা হতো এখন ব্যবহার করা হয়

প্রকাশিত: ৫:৪৭ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ৭, ২০২১
চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির এক প্রতিনিধিত্বমূলক সভা ০৬ নভেম্বর, ২০২১ খ্রি. শনিবার সন্ধ্যায় মুরাদপুরস্থ একটি হোটেলের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি কিরণ শর্মার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন প্রেস কাউন্সল্ নির্বাহী পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য, প্রবীণ সাংবাদিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা, সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত।
চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সংবাদ মাধ্যম ও রিপোর্টারদের বিভিন্ন সমস্যা আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল কবির, কোষাধ্যক্ষ রাশেদুল আজীজ, মির্জা মোহাম্মদ আলমগীর, বরুণ কুমার আচার্য্য, অরুণ নাথ, ফিরোজ চৌধুরী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দ্দী প্রতিষ্ঠিত ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের নেতা অলি আহাদ সম্পাদিত ‘ইত্তেহাদ’ পত্রিকার এক সময়ের বিশেষ সংবাদদাতা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, বিগত শতাব্দীতে সংবাদপত্রের রিপোর্টারদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ ও ছবি সংগ্রহ করতে হত। যুদ্ধক্ষেত্র থেকেই রিপোর্টাররা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ দিত। সৎ রিপোর্টারদেরকে কেউ চোখ রাঙিয়ে বা প্রলুব্দ করে সত্য সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত রাখতে পারত না। তখন রিপোর্টারদের কাছে সত্য ও সঠিক সংবাদ পাওয়ার জন্য যেমন মানুষের প্রত্যাশা ছিল, তেমনি প্রাপ্তিও ছিল সন্তোষজনক।
এ শতাব্দীতে লুঠেরা ও লুম্পেন শ্রেণীর একটি অংশ সংবাদ মাধ্যমের মালিক হওয়ায় রিপোর্টাররা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না- ব্যবহার হচ্ছেন। মোটকথা আগের রিপোর্টারদের সম্মান করা হতো, এখন ব্যবহার করা হয়। কাদেরী শওকত বলন, রিপোর্টাররা আগে খুবই ত্যাগী ছিলেন। ত্যাগী ছিলেন বলেই রিপোর্টাররা নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, নিরহংকার, পরহিতব্রতী ও মানবসেবামূখী ছিলেন। এখন ত্যাগী রিপোর্টার বিরল।