বিদেশে থেকেও মাদক ও নারী ব্যবসায় কোটিপতি মহরম আলী

প্রকাশিত: ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ , নভেম্বর ৭, ২০২১

দেশ নানা ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে সর্বনাশের সব আয়োজন সম্পন্ন হচ্ছে। দেশের যুবক, তরুণ এমনকি কিশোররা পর্যন্ত নেশাগ্রস্ত হয়ে নেতিয়ে পড়ছে। মারাও যাচ্ছে। ভয়ঙ্কর নেশা ইয়াবা চট্ট্রগামের অভিজাত এলাকা থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত আসছে সেসব খবর। বিদেশে থেকেও চট্ট্রগামের হাটহাজরীর মুনিয়া পুকুর পার এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রন করছে মৃত এজহার মিয়ার পুত্র মহরম আলী। ইয়াবার পাশাপাশি রয়েছে বিদেশে নারী পাচারের রমরমা ব্যাবসা ।

হাটহাজারীতে র‌্যাব-৭ অভিযান আটক মহরম আলীএর সহযোগী মোঃ মোরশেদ আলম ও মোঃ মঞ্জুরুল করিম

ব্যাবসার লেন দেন ঠিক রাখতে কয়েক বার আসছেন দেশে এছারা হাটহাজারীর আশ পাশে মোঃ মোরশেদ আলম , মোঃ মঞ্জুরুল করি , মো. পারভেজ , সহ বেশ কয়েক জন তারা গারাগারে থেকেও নিয়ন্ত্র করছেন মাদক ব্যাবসা । ১০ বছর আগেও আগেও ঈদে হাজীর বাড়ী মুনিয়ায়া পুকুর পাড় এলাকায় ছিছকে মাস্তানি করে যে জীবিকা নির্বাহ করত সেই ছিছকে মহরম আলীই এখন শতকোটি টাকার মালিক। তার চট্টগ্রামর বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি বিভিন্ন এলাকায় শত বিঘা জমি । তার সহযোগীদের অনেকেই এখন কোটিপতি।

দামি গাড়ি হাঁকিয়ে চলাচল করে। হত্যা সহ বেশ কয়েক টি ঘটনার সাথে জড়িত থাকলেও ধরা ছোয়ার বাহিরে থেকে দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, পুলিশেএর কাছে কোন অভিয়োগ না থাকায় বিদেশে বসে তার অপরাধ জগত পরিচালনা করে যাছেন। মহরম আলী এর প্রধান সহযোগী মোঃ মোরশেদ আলম , মোঃ মঞ্জুরুল করিম কে কিছু দিন আগে র‌্যাব গ্রেফতার করেছিলো। তারা কারাগারে থাকলেও সহযোগী অন্যরা তাদের ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমানে মৃত এজার মিয়ার ছেলে বিদেশে খেকে দেশে এসে তার মাদক আর নারী ব্যাবসার সর্গ রাজ্যা আরো পাকা পুক্ত করে আরো জোরেশোরে শুরু করে পুরনো কারবার।

সহযোগী সহ মহরম আলী

জানা যায়, শুধু মুনিয়ায়া পুকুর পাড় এলাকাকে কেন্দ্র করেই মাদক কারবারিদের ১০টি সিন্ডিকেট রয়েছে, রয়েছে প্রায় ৮০ কারবারি। ভাবা যায়, তাদের শত শত কোটি টাকা আয়ের বিনিময়ে কত হাজার হাজার তরুণপ্রাণ ধ্বংস হয়েছে বা হচ্ছে! মাদক যখন সহজলভ্য হয়ে যায় তখন মাদক সেবনের হারও বেড়ে যায়। উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীরা নানাভাবে নেশার খপ্পরে পড়ে। কিন্তু মাদকের বিস্তার রোধে নিয়োজিত বাহিনীগুলো কী করছে? ইয়াবা আসে মূলত মিয়ানমার থেকে।

মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা থাকার কারনে চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে মাদক ও নারী পাচারের ব্যাবসা। তাই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো পরিবহন ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রিও রোধ করা যাচ্ছে না। যেসব বাহিনী এসব নিয়ন্ত্রণ করবে তাদের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধেই উঠছে নানা অভিযোগ। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি অধিদপ্তর থাকলেও তার কোনো ভূমিকা দৃশ্যমান নয়। আবার যে দু-একজন ধরা পড়ে তারাও জামিনে বেরিয়ে একই কাজ করে।

কিন্তু মাদক তো মাদকেই সীমিত থাকছে না, আরো অনেক অপরাধেরই জন্ম দিচ্ছে। দেশ কি এভাবে ক্রমে রসাতলেই যেতে থাকবে? মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে হবে। প্রয়োজনে আইন সংস্কার করতে হবে। অপরাধগুলো জামিন অযোগ্য করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জবাবদিহি বাড়াতে হবে। যেভাবেই হোক, দেশের সব সম্ভাবনা ধ্বংসের এই পাঁয়তারা বন্ধ করতেই হবে।