পূজা মন্ডপ ও মন্দিরে সামপ্রদায়িক হামলার ঘটনায় আরো ৮ জন গ্রেপতার নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ২৬, ২০২১ ইফতেখাইরুল আলম,নোয়াখালীনোয়াখালী জেলায় পূজা মন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় রুজুকৃত মামলায় জড়িত আরো ৮ আসামিকে মন্দিরে লুট হওয়া ২৫ শত টাকা সহ উদ্ধার।জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে জেলা কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে প্রেস বিফিং চলা কালে পুলিশ সুপার এসব বিষয় নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার এর নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এর তদারকিতে গত ২৫ শে অক্টোবর দিবাগত রাতে সুধারাম মডেল থানা সহ হাতিয়া, বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং র্যাব কর্তৃক বিশেষ অভিযানে পূজা মন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় জড়িত ৮ আসামীদেরকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপতার কৃতরা হলেন,সুধারামের পর্ব-শুল্ল্যকিয়ার নুরুল্লাহ ছেলে সুমন(৩৩) সুধারাম থানাধীন ৭ নং ধর্মপুর ইউপির ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি ইমরান হোসেন নিশান (২০) পিতা আলমগীর হোসেন,বেগমগঞ্জ চৌমুহনী পৌরসভাধীন করিমপুর ৬ নং ওয়ার্ডের আবুল হোসেন এর ছেলে রনি (২৮)কে সিলেট হবিগঞ্জ থেকে গ্রেপতার করা হয়েছে এবং এ সময় তার কাছ থেকে মন্দিরের লুট হওয়া ২৫ শত টাকা উদ্ধার করা হয়। বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর গ্রামের মৃত রফিক উল্লার ছেলে বিএনপির কর্মী মোঃ ইউসুফ(৩০) ভিডিও ফুটেজ দেখে সনাক্ত কৃত বেগমগঞ্জ চৌমুহনী পৌর এলাকার হাজীপুর ৮ নং ওয়ার্ডের নুরুজ্জামান এর ছেলে আক্তারুজ্জামান (৫০) সোনাইমুড়ী উপজেলার রশিদপুর পাটোয়ারী বাড়ির মৃত ফজলুল হক পাটোয়ারীর ছেলে রবিউল হোসেন প্রকাশ রনি (৩২)ভিডিও ফুটেজ দেখে সনাক্তকৃত লক্ষিপুর সদর থানাধীন ইসলাম হোসেন, সাহেদুল ইসলাম(২২) সহ হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক সেরাজুল হক বেচু(৪২)সে বুড়িরচর ইউনিয়নের মোঃ আমিনুল হকের ছেলে। উপরোক্ত গ্রেপতারকৃত আসামী ইমরান হোসেন নিশান এবং পূর্বে গ্রেফতারকৃত আব্দুর রহিম সুজনসহ কয়েকজন মন্দিরে লুটপাট করে প্রায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা তাদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে আসামী ইমরান হোসেন নিশান ৮ হাজার টাকা পেয়ে সে ৫ হাজার ৫ শত টাকা সে খরচ করে, বাকী ২৫ শত টাকা তার নিকট থেকে উদ্ধার করা হয়।এই পর্যন্ত জেলায় পূজা মন্ডপে সামপ্রদায়িক হামলার ২৬ মামলায় ২০১ জনকে গ্রেপতার করা হয়েছে। শেয়ার নোয়াখালীবিষয়: