আস্থাভাজন হয়েই পরিবর্তনের পক্ষে আলোচনায় তরুণ প্রার্থী শহিদ – স্থানীয় নির্বাচন মোহাম্মদ মানিক হোসেন মোহাম্মদ মানিক হোসেন প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের পরপরেই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরগরম হয়ে উঠেছে ১ নং নশরতপুর ইউনিয়নের রাজনীতি। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পাড়া-মহল্লা— সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তরুণ ও উদীয়মান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহ শহিদ আহমেদ।সাধারণ ভোটারদের ভাষ্যমতে, ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধান এবং আধুনিক নশরতপুর ইউপি গড়তে তারা এবার একজন শিক্ষিত ও তরুণ নের্তৃত্বকে বেছে নিতে চান। এছাড়া সপ্তাহ খানেক আগেই অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নব- নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান মিয়ার আস্থাভাজন ও সামনে থেকে নশরতপুর ইউনিয়নের ধানের শীর্ষের ভোট ব্যাংক তৈরী করা এই তরুন ছাত্রনেতা তৈরী করেছে তার ব্যাক্তিগত ইমেজও। তাছাড়াও রয়েছে জনগণের প্রত্যাশা ও জনমত তৈরীতে তার অপরসীম ভুমিকা।সরেজমিনে নশরতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ভোটারদের মধ্যে এক নতুন উৎসাহ কাজ করছে। বিশেষ করে তরুণ ও মধ্যবয়সী ভোটারদের বড় একটি অংশ শাহ শহিদ আহমেদের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।স্থানীয় এক বয়োজ্যেষ্ঠ ভোটার জানান, “আমরা অনেক নেতা দেখেছি, কিন্তু এবার আমরা এমন একজনকে চাই যিনি আমাদের কথা শুনবেন। শাহ শহিদ আহমেদ শিক্ষিত ছেলে, তাকে ডাকলেই পাওয়া যায়। নশরতপুরবাসী এবার পরিবর্তনের পক্ষে।” অন্য এক তরুণ ভোটার বলেন, “আমরা চাই ডিজিটাল ইউনিয়ন এবং মাদকমুক্ত গ্রাম্য শান্তি। শাহ শহিদ আহমেদ আমাদের মতো তরুণদের সমস্যাগুলো বোঝেন। তাই আমরা তাকেই ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”জনমতে শাহ শহিদ আহমেদ এ বিষয়ে বলেন,আমি চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য নয়, নশরতপুরবাসীর জন্য ভালো কাজগুলো করতে চাই। অবহেলিত রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা তৈরী করাই আমার মূল লক্ষ্য। নশরতপুর ইউনিয়নবাসী যদি আমাকে সুযোগ দেন, তবে আমি এই ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো।”শাহ শহিদ আহমেদের পক্ষে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডেই ছোট-বড় অনেকেই জানিয়েছেন ক্লিন ইমেজ এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যেই তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রাখছে।স্থানীয় এক প্রবীণ ভোটার আব্দুল রহিম (৬৫) বলেন, “আমরা অনেক পুরনো মুখ দেখেছি। এবার আমরা একজন তরুণকে সুযোগ দিতে চাই। তিনি শুধু শিক্ষিতই নন, তিনি সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন। নশরতপুরবাসী অবশ্যাই এবার পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দেবে।” শেয়ার বিশেষ ব্যাক্তিত্ববিষয়: