৪ বছর পর বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে বাহরাইন

প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ , জুন ৯, ২০২২

টানা চার বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের ভিসা দিতে যাচ্ছে বাহরাইন সরকার। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশে এসে আটকেপড়া ১৬১ জনকে প্রথম দফায় ভিসা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

বুধবার (৮ জুন) মানমার বাংলাদেশ দূতাবাসের এক ফেসবুক লাইভে রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে বাহরাইন সরকার ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। মহামারীর মধ্যে দেশে ফিরে যারা আটকা পড়েন, তারাও সে কারণে যেতে পারছিলেন না।

এরপর বাংলাদেশ সরকার ও দূতাবাসের উদ্যোগে বাহরাইন সরকারের ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়ার পর ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে বলা হয়।

রাষ্ট্রদূত বলেন, করোনার কারণে দেশে গিয়ে আটকে পড়াদের মধ্যে ৯৬৭ জন বাংলাদেশি ফেরার জন্য নিবন্ধন করেছিলেন। তখন বলা হয়েছিল, তাদের মালিকপক্ষ বা নিয়োগকর্তা যাতে জানায় যে তাদের ফেরত নিতে রাজি আছেন। মালিকপক্ষের সাড়া পাওয়ার ওপর ভিত্তি করে ১৬১ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই ১৬১ জনের নাম-পরিচয় দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে দেওয়া আছে।

নজরুল ইসলাম জানান, বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুরুতে ভিজিট ভিসা ইস্যু করবে। দেশটিতে যাওয়ার পর নিয়োগকর্তার মাধ্যমে সেটাকে ওয়ার্ক ভিসায় রূপান্তর করে সেন্ট্রাল পপুলেশন রেজিস্ট্রেশন (সিপিআর) করা যাবে। করোনার কারণে দেশে গিয়ে আটকে পড়াদের মধ্যে যারা কর্মে ফিরে যেতে নিবন্ধন করেছেন কিন্তু তালিকায় নেই তারা নির্দিষ্ট সময়ে মালিকপক্ষ বা স্পন্সরের সম্মতির বিষয়ে দূতাবাসকে অবহিত করতে পারেননি। সে কারণে বড় অংশ তালিকার বাইরে। স্পন্সরের সম্মতি পেলে আমরা তাদের ফেরানোর বিষয়েও বাহরাইন সরকারকে অনুরোধ করব।

কোনো এজেন্সি বা সংগঠনের কথায় বাংলাদেশি কর্মীদের দেশটিতে না যাওয়ার অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, মালিকপক্ষ বা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ না করে কেউ এখানে আসার চেষ্টা করবেন না।

কর্মীদের মধ্যে যারা ফ্যামিলি ভিসায় পরিবারের সদস্যদের নিতে চান, তাদেরও পরিবারের সদস্যদের নাম-পরিচয় ও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে দূতাবাসের ই-মেইলে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশি কর্মীদের নতুন ভিসার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাহরাইন সরকার।