রামগড়ের পাতাছড়ায় অবৈধ বালু মহলের সব মালামাল জব্দ বাহার উদ্দিন বাহার উদ্দিন রামগড় প্রতিনিধি প্রকাশিত: ৭:২১ পূর্বাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাতাছড়া ইউপি মেম্বারের একটি অনুমোদন বিহীন বালু মহালে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন রামগড় উপজেলা প্রশাসন।এসময় অবৈধ বালু মহালে মজুতকৃত বিপুল পরিমান বালু ও খাল থেকে বালু উত্তোলনের পাম্প মেশিনসহ অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।জব্দকৃত বালু ও মালামাল নিলাম দেয়ার প্রক্রিয়া হবে বলে জানান প্রশাসন সংশ্লিষ্টরা।বুধবার(৩১ আগষ্ট) রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দোকার মো: ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত পাতাছড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে গভীর বন জঙ্গল ঘেরা পিলাক খালের হাছানরাজা ঘাট এলাকায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। জানা যায়, উপজেলা সদর হতে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে পাতাছড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে দুর্গম পিলাক খালের হাছানরাজা ঘাট এলাকায় গত এক- দেড় বছর ধরে শক্তিশালী পাম্প মেশিনের মাধ্যমে খাল থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।পাহাড় কেটে মহাল পর্যন্ত দীর্ঘ কাচা রাস্তা তৈরি করা হয়েছে উত্তোলিত বালু পরিবহণের জন্য।বালু পরিবহনে ব্যাবহার করা হয় ড্রামট্রাক। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, অবৈধ বালু মহালটির মালিক ঐ ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট বালু পাচার করে আসছে। বুধবার গোপনসূত্রে খবর পেয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ইউপি মেম্বারের ঐ অবৈধ বালু মহালে অভিযানে যান ভ্রাম্যমান আদালত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দোকার মো: ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত বলেন, অভিযানের খবর পেয়ে অবৈধ বালু মহালে নিয়োজিত সকল লোকজন পালিয়ে যায়। বালু মহালটির মালিক ইউপি মেম্বার আব্দুল লতিফকে খবর দেয়া হলেও তিনিও হাজির হননি। তিনি আরও জানান, জব্দকৃত বালু ও অন্যান্য সামগ্রী নিলামে বিক্রি করে সরকারি রাজস্ব তহবিলে জমা করা হবে। নিলাম দেয়ার প্রক্রিয়া নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এ অবৈধ বালু মহালসহ ৩-৪ টি বালু মহাল ইজারাভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে।অবৈধ বালু মহাল পরিচালনার ব্যাপারে ইউপি মেম্বার আব্দুল লতিফের সাথে কথা বলতে চাইলে তার ব্যাবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায় শেয়ার খাগড়াছড়িবিষয়: