নওগাঁয় ‘হিজাব–বিতর্ক’ শিক্ষিকার মামলা, দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ , এপ্রিল ১৫, ২০২২

হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মানহানির অভিযোগে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার দাউল বারবাকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল এবার মামলা করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে তিনি মহাদেবপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন দৈনিক নওরোজ ও দৈনিক ডেল্টা টাইমস পত্রিকার মহাদেবপুর উপজেলা প্রতিনিধি কিউ এম সাঈদ (৫০) ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি ও দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার মহাদেবপুর উপজেলা প্রতিনিধি সামসুজ্জামান মিলন (৩৮)। তাঁরা আমোদিনী পালের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

মামলা ও ওই দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকালে উপজেলার দাউল বারবাকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। মামলার তাঁর বিরুদ্ধে হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করা ও বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে বিদ্যালয়ে হামলার অভিযোগে করেছেন তিনি। ৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে ওই মামলার আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক কিউ এম সাঈদকে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের লাইব্রেরিপট্টি এলাকার নিজ বাড়ি ও সাংবাদিক সামসুজ্জামান মিলনকে উপজেলা সদরের কুশার সেন্টারপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের আমোদিনী পালের করা মামলায় এজহারভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টায় কিউ এম সাঈদ ও সামসুজ্জামানকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের আমোদিনী পালের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Loading