ঢাকা, ২১শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নের বিষ্ফোরণ ॥ প্রিয়দর্শী চাকমা

প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২২
ভালবাসার প্রতিদান কিভাবে শোধ করবো?
হে পরম করুণাময় তুমি পথ দেখিয়ে দাও।
মানুষ যে ভালবাসে বিশ্বাস করে অন্তর থেকে,
আমিও যেন ভালবাসতে পারি তাদের হৃদয় হতে।
হে ভগবান বিশ্বাস যেন কারো সাথে না হয় ভঙ্গ,
পায় যেন আমি যেদিকে যায় সবসময় সৎ সঙ্গ।
শত্রু না হোক আমার কেউ কর্ম হোক আমার সখা,
যেদিকে যাই সেদিকে হোক কল্যাণ মিত্রের দেখা।
সকলের সাথে হোক আমার অন্তরের সদ্ভাব,
কখনও না হোক যেন কল্যাণকামীর অভাব।
আমার ভালবাসা হোক মনুষ্য প্রাণী সকলের তরে,
সেই ভালবাসার প্রতিদান পায় যেন মরণের পরে।
আমি চাই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে মৃত্যুর পরেও,
আলোকিত সমাজ বিনির্মানে থাকুক আমার ভূমিকাও।
হয়তো পারবো নয়তো পারবো না তবুও চেষ্টায় রবো,
হাঁটতে হাঁটতে হয়তো একদিন আলোর দিশা পাবো।
সেদিন হয়তো পূর্ব আকাশে রাঙা সূর্যের উদয় হবে,
অপেক্ষার শেষে স্বপ্নগুলোও কাছে এসে ধরা দিবে।
রাঙা সূর্যের ঝলমলানীতে বন বনানী প্রাণ ফিরে পাবে,
পাখিরা গাইবে ফুলেরা ফুটবে হাসবে মানস সরোবরে।
নতুন করে হাসবে আবারও জুম পাহাড় নতুন রূপে,
বীরজুম্মোরা সেদিন হাত মেলাবে সকলের সাথে হেঁসে।
বেজে উঠবে সিঙা হেংগরঙ ধুধুক বাঁশির সুর জুম ঘরে,
পত্তি গুদু ঘিলা নাদেং হারায় মত্তহবে সকলে দলে দলে।
মানুষের মুখে হাসি ফুটবে হবেনা বিদ্ধ বুলেটে বুক,
হবেনা খালি কোন মায়ের কোল উজ্জ্বল হবে মুখ।
থাকবেনা ভয়ার্ত আধার রাত খট খট বুটের আওয়াজ,
থাকবেনা দুরুদুরু বুকে ঘুম থেকে জাগানো রেওয়াজ।
দেখতে পাবোনা দাউ দাউ আগুনের লেলিহান শিখা,
পুড়বেনা নান্যাচর কাউখালী লংগুদু লোগাংয়ের ভিটা।
শুনবো আর মানুষ মরার আর্তচিৎকার পাহাড়ে ঢালে,
চেঙে মেয়োনী হাজলং ফেনী বড়গাং সাঙ্গুর ভ্যালীতে।
পাহাড় হবে বৈচিত্র্যময় নান্দনিক রূপের স্বর্গের বেশ,
তখনি পূরণ হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।
   আগের খবর ক্ষণিকের প্রত্যাশা
ক্ষণিকের প্রত্যাশা

এই বিভাগের সর্বশেষ

ব্রেকিং নিউজ