ঈদ শপিং

প্রকাশিত: ১২:৫৮ অপরাহ্ণ , এপ্রিল ২৭, ২০২১

মো. আলী আশরাফ মোল্লা

আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ঈদ শপিং এ যায়
ঈদের জামা গায়ে দিয়ে হসপিটালে যায়
মহামারীর এই সময়ে ঈদ শপিং এ খুবই মজা
বাইরেতে শার্টার ফেলা ভীতরেতে মানুষের ভীড়।

পাশের দেশ ভারতে মরছে যখন হাজারে হাজারে
লাশ পরে আছে এখানে সেখানে রাস্তা ঘাটে
আমরা তখন এ শপিংমল থেকে অন্য শপিংমলে যাচ্ছি
নতুন নতুন বাহারী কালেকশন সংগ্রহের খু্ঁজে।

সংক্রামিত বহু মানুষের ভীষণ প্রয়োজন অক্সিজেনের
আর কিছু কিছু মানুষের এখনই দরকার শপিং এর
যতই আসুক লকডাউন, যতই আসুক বাধা বিপত্তি
বিভিন্ন অজুহাতে শপিং এ বাইরে যেন বের হতেই হবে।

আমার দেশেই এখন প্রতিদিনই মরছে শতে শতে
তদাপিও কোন হুশ ফিরছে না আমাদের মনে
কোন হসপিটালেই নেই আইসিও বেড খালি
তারপরও সচেতন আর সজাগ হচ্ছি না আমি!

মহামারী করোনার দাপটে বহু রাষ্ট্র হয়েছে ধরাশায়ী
তুমি আমি কিসের ভরসায় নিত্যই ঘুরিফিরি
যার যায় সেই বুঝে হারানোর ব্যথা কত যন্ত্রনার
প্রার্থনা করো এক সৃষ্টিকর্তার, অনুগ্রহ চাও তার।

করোনার ভয়াল থাবা গ্রাস করেছে যাকে
সেই কেবল জানে অসহ্য যন্ত্রনা কাকে বলে
পরিবার আত্নীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সবই আছে
অথচ মিনিমাম চৌদ্দ দিন সংঘনিরোদ থাকতে হবে।

ভাগ্য কেবল সুপ্রসন্ন হলে এরই মধ্যে ভালো হবে
আর না হলে আরও অনেক বেশী সময় অতিবাহিত হবে
হায়াত না থাকলে এরই মধ্যে চলে যেতে হবে সব ছেড়ে
চিরন্তন সত্য সুন্দর অন্ধকার সাড়ে তিন হাত মাটির নীচে।

সময় থাকতে হও হুশিয়ার, হও আরও সচেতন
এবার আর নয় শপিং, আর নয় অপ্রয়োজনে ঘুরাঘুরি
বাড়ি ফিরো, নিজে সুস্থ থেকো, সবাইকে নিরাপদ রেখো
বেচেঁ থাকলে পরের ঈদে না হয় ডাবল শপিং করে নেবো।