ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল বহিষ্কার

প্রকাশিত: ৮:৩৩ অপরাহ্ণ , আগস্ট ২২, ২০২০

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের নীতি, আদর্শ ও শৃংখলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় নিশান মাহমুদ শামীম (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) ও মো. সাইফুল ইসলাম জীবনকে (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর শাখা) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

শামীম মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এমন সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

 

শনিবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের প্যাডে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রসঙ্গত, গত ৭ জুন পুলিশ বিশেষ অভিযোন চালিয়ে ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে ঢাকার কাফরুল থানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে গত ২৬ জুন বরকত ও রুবেলকে আসামি করে দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

মানি লন্ডারিংয়ের ওই মামলায় গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকার উত্তরা এলাকার ১২ নম্বর সেক্টর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীমকে।

এছাড়া ফরিদপুর পুলিশ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে হামলার মামলার আসামি হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। সাইফুল বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

সিআইডির দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছেন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি ঢাকা এর সহকারী পুলিশ সুপার উত্তম কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, রুবলে ও বরকত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ‘যাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন’ তাদের সবার নাম উল্লেখ করেছেন। ওই জবানবন্দির আলোকে মানি লন্ডারিং মামলার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।