ফরিদপুরে মানিলন্ডারিং মামলায় দুই ইউ,পি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রকাশিত: ১১:৫৮ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১৯, ২০২১

ফরিদপুর সদর উপজেলার দুই ইউ,পি চেয়ারম্যান 

২০২০ সালের ২৬শে জুন কাফরুল (ডিএমপি) থানায় গোয়েন্দা পুলিশ ধারা: মানিল্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪(২), মামলা নং- ২৪ এর মানিলন্ডারিং মামলায় মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ আদালত ফরিদপুর কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মোঃ বেলায়েত হোসেন(৪৭) এবং ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মজনু (৪৬) এর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

 

ফরিদপুরের শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সাবেক সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দুই হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় মামলা করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হন বরকত ও রুবেল। গ্রেপ্তারের পর তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে  শহীদুল ইসলাম ও ফকির বেলায়েতের নাম আসে প্রশ্রয়দাতা ও সহযোগী হিসেবে। 

 

এ খবর জানার পর ওই দুই ইউপি চেয়ারম্যান আত্মগোপন করেন। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর হাইকোর্টে তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। জামিন শেষে তারা ঢাকা মেট্রোপলিটন দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে 

আদালত ১৯ জানুয়ারি জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন। 

১৯ জানুয়ারি হাজির হলে মেট্রোপলিটন দায়রা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ জজ ইমরুল কায়েশ 

জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেনের 

আদেশ দেন। আদেশের পর তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়

 

এ মামলায় একে একে গ্রেপ্তার হন ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার নাজমুল হাসান, জেলা শ্রমিক লীগের কোষাধ্যক্ষ বিল্লাল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিমান মাহমুদ শামীম, মজনু ও বেলায়েতকে নিয়ে এ মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।