“রেলওয়ে যাত্রায় বঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠী,

প্রকাশিত: ১২:৩১ অপরাহ্ণ , আগস্ট ২০, ২০২০

আতাউল পার্থ:
১৯৭১ সালে রক্তস্নাত স্বাধীনতার পর রেলওয়ে তাঁর নেটওয়ার্ক পুনঃ বিন্যস্ত করে সকল জেলা সদরকে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার গুরুত্ব আরোপ করে, এ লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার ।তাঁরই ধারাবাহিকতায় বজায় রাখতে রেলওয়েতে দেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারাইজড করার মাধ্যমে,ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে গেছেন অনেক দূর । বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করে নিরাপদ,দ্রত,সুলভ পরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর। ইতি মধ্যে সরকার একটি নতুন উদ্যোগ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। “টিকেট যার, ভ্রমণ তার’। বাংলাদেশ রেলওয়ের এমন উদ্যোগকে অনেকে স্বাগত জানালেও বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ পড়েছে ভোগান্তিতে। সবসময় অনলাইনে টিকেট কিনতে হবে। শুধু তাই নয় অন্যের নামে কেনা টিকেটে ভ্রমণের সুযোগ ও বন্ধ করেছে রেলওয়ে। একজনের টিকেটে অন্যজন ভ্রমণ করলে পোহাতে হবে জেল জরিমানা। নতুন এই নিয়মে ট্টেন যাত্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিশাল জনগোষ্ঠী/প্রান্তিক যাত্রীরা। এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন , ফেইসবুক লাইভে বলেন । টিকেট কালোবাজারী রোধে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ হোক এটা সবারই কাম্য। কিন্তু অনলাইনে টিকেট সংগ্রহ করার মতো সিস্টেমের আওতায় নেই সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষ । যাদের নেই কোন ডিভাইস, এনড্রয়েড মোবাইল, অনেকের নেই জাতীয় পরিচয়পত্র, এছাড়াও আছে অক্ষর জ্ঞানহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠী। তাই অনলাইনে টিকেট বিক্রির মাধ্যমে গরীব ও স্বল্প আয়ের একটা বিশাল জনগোষ্ঠী হয়রানি ও বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। কারণ বাংলাদেশে আরামদায়ক,সাশ্রয়ী,গণপরিবহন হিসেবে ট্রেনেই তাদের প্রধান ভরসা।