ধানের শীষ পাশ না করলে পায়ের তলায় মাটি থাকবে না শার্শার ধলদা মাঠে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য নুরুজ্জামান লিটন স্টাফ রিপোর্ট স্টাফ রিপোর্ট যশোর প্রকাশিত: ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর জেলার শার্শা উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের ধলদা হাইস্কুল মাঠে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীর সমর্থনে এক বিশাল নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত ঔ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ৮৫ যশোর-১ (শার্শা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন।বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের জয়ের কোনো বিকল্প নেই।শার্শাকে একটি আধুনিক ও মাদকযুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের ওপর জোর দেওয়া হয়।সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর আশ্বাস দেন প্রার্থীরা। এ সময় নুরুজ্জামান লিটন জনসভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কখনো ক্ষমতার দাপট বা অহংকার প্রদর্শন করেননি। জিয়াউর রহমানের পরিবারের সদস্যরা বড় বড় সরকারি পদে থাকলেও তারা কখনো নিজেদের পরিচয় দিয়ে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেননি।নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান রেখে বলেন, দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় তিনি নেতাকর্মীদের অতি-উৎসাহী না হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি সতর্ক করেন যে, যারা মানুষের সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, তারা সমাজ, দল বা পরিবারের জন্য কল্যাণকর নয়। স্পষ্ট করে তিনি বলেন, আগামী দিনে ‘ভালো মানুষ’ ছাড়া কেউ বিএনপি করতে পারবে না।তারেক রহমানের নির্দেশে রাজনীতিতে জনগণের সেবক হওয়া এবং মানুষের সম্মান রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। পরিশেষে, তিনি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি/২০২৬ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন-কে জয়যুক্ত করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।তিনি বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খতিবরা অনেক সময় অস্বচ্ছল অবস্থায় থাকেন। সাধারণ মানুষ তাদের সাহায্যের জন্য চাল, ডাল বা সামান্য টাকা অনুদান দিয়ে থাকেন, যা দিয়ে তাদের জীবন চালানো কঠিন হয়। অনেক ইমামের মাসিক বেতন ৫ হাজার, ৩ হাজার বা তার চেয়েও কম। ১০ হাজার টাকা বেতন পান এমন ইমামের সংখ্যা খুবই নগণ্য। দলের নেতা তারেক রহমান এর বরাত দিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন যে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তবে প্রতিটি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খতিবদের জন্য মাসিক সরকারি সম্মানী বা বেতন নিশ্চিত করা হবে। এই সুবিধা শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্যও মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করা হবে।এছাড়া ঈদ, দুর্গাপূজা এবং বড়দিনের মতো প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে ধর্মীয় নেতাদের জন্য উৎসব ভাতার ব্যবস্থাও সরকারের পক্ষ থেকে করা হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে জনকল্যাণমূলক কাজগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ইসলাম ধর্ম, কোরআন এবং হাদিসকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, তারা প্রচারণা চালাচ্ছে যে “দাঁড়িপাল্লা” মার্কায় ভোট দিলে মানুষ বেহেশতে যাবে, যা কোরআন বা হাদিসের কোথাও নেই। তিনি হজরত ফাতেমা (রা.)-এর উদাহরণ টেনে বলেন যে, নবী করিম (সা.) কখনো তার প্রিয় কন্যাকে ঘরে ঘরে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দিতে বলেননি। তিনি দাবি করেন, নারীদের এভাবে রাজনৈতিক বা প্রচার কাজে ব্যবহার করা ইসলাম সমর্থন করে না। হযরত মুহাম্মদ (সা.) তার বিদায় হজের ভাষণে মুসলমানদের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান দিয়ে গিয়েছেন।তিনি বলেন, ইসলাম নিয়ে নতুন করে কারো কাছ থেকে শেখার কিছু নেই, বরং নবীর দেখানো পথ অনুসরণ করাই যথেষ্ট। ভণ্ডামির বিরুদ্ধে সতর্কতা উচ্চারণ করে তিনি বলেন, পরকালে সর্বপ্রথম জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে একদল ভণ্ড আলেম বা ইমাম যারা নিজেদের অনেক বড় ধর্মীয় নেতা হিসেবে দাবি করে কিন্তু অন্তরে সততা নেই। এছাড়া লোকদেখানো দান-খয়রাত করা ব্যক্তিরাও কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবে। জামায়াতের প্রার্থীদের একটি প্রচারণার সমালোচনা করে বলেন, তারা দাবি করে যে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে সরাসরি জান্নাতে যাওয়া যাবে—যাকে তিনি অযৌক্তিক এবং হাস্যকর বলে অভিহিত করেন।মূলত রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করার বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার থাকার আহবান জানান।শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজিত ঔ সভা শেষে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে ঘরে ঘরে ভোট ও দোয়া চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি আব্দুল হামিদ।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,শার্শা ছাত্রদল সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ,শার্শা উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব খাইরুজ্জামান মধু। শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির। শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন কবির,শার্শা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো: তাজউদ্দীন , শার্শা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস ।বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি শামছুর রহমান , বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু। শার্শা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক -২ সালাউদ্দিন আহমেদ, শার্শা উপজেলা বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ, শার্শা উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শরিফুজ্জামান পরাগ, শার্শা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক, সাখাওয়াত হোসেন, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রিপন, শার্শা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক -মো.সহিদ আলী, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আলী কদর সাহেবের জ্যেষ্ঠ পুত্র বাবলু রহমান, বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দীন,,বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি-নসিমুল গনি বল্টু, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ – সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহামেদ ৷বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ -সভাপতি মাসুদুর রহমান মিলন, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি, বেনাপোল পৌর বিএনপির সহ- সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হবি, বেনাপোল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহের উল্লাহ, বেনাপোল পৌর বিএনপির যুগ্ন -সাধারণ সম্পাদক , মোঃ মফিজুর রহমান (মফিজ) ,বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদবেনাপোল পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান আক্তার ৷বেনাপোল পৌর বিএনপর অর্থ বিষয়ক সম্পাদক , মোঃ আব্দুস সামাদ, ছোট আঁচড়া ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী সাদ্দাম হোসেন, শার্শা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক-মো.শহিদুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন বাবলু শার্শা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমদাদুল হক ইমদা।শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক-শরিফুল ইসলাম চয়ন, শার্শা উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সেলিম হোসেন আশা, বেনাপোল পৌর যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান বাবু,বেনাপোল পৌর যুবদলের সদস্য সচিব দীপু ৷বেনাপোল পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মীর আলম, বেনাপোল পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল, বেনাপোল পৌর কৃষক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইমাম হাসান ৷বেনাপোল পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন, বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম শহীদ,বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওমর ফারুক, শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোইমেনুল সাগর।বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ, বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইশতিয়াক আহমেদ শাওন৷ শেয়ার বাংলাদেশবিষয়: