উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে’ নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ , এপ্রিল ৪, ২০২৩ আগুন নেভাবে আমাদের প্রধান কারণ (বেগ পাওয়ার) হলো উৎসুক জনতা। আমি আপনাকে একটি ভিডিও দেখাতে চাই। এ সময় মোবাইলে একটি ভিডিও দেখিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার ভিডিওটা দেখতে হবে। আপনি এই ভিডিওটি দেখুন, আমি নিজে করেছি। কোন জায়গা দিয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিস কাজ করব? কোথায়, কিভাবে? কথাগুলো বললেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন ।রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল এই মার্কেটটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিলো। এরপর ১০ বার নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো।মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল থেকে ব্রিফিং তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২ এপ্রিল এই ভবনটি অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ আমরা বলেছিলাম, আমরা ঘোষণা করেছিলাম এবং আমরা ব্যানার টাঙ্গিয়েছিলাম। এরপরে দশবার নোটিশ দিয়েছি যে এই ভবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।‘ফায়ার সার্ভিস বা আমার করণীয় যা যা ছিলো তা তা করেছি। তারপরও এখানে ব্যবসা চলছিলো।’১০ বার নোটিশ দিয়েছেন এরপরে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সিটি করপোরেশন বা রাজউকের। তাদের অবহেলার কারণে কি ঘটনা ঘটেছে-এ প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, এ প্রশ্নটার উত্তর আমার কাছে নেই। এই প্রশ্নটা যে সংস্থার নাম আপনি উচ্চারণ করবেন, তাকে জিজ্ঞাসা করাটা ব্যাটার।‘আমরা এই মার্কেটের সামনে এরকম ব্যানারও টাঙ্গিয়েছিলাম ২০১৯ সালে। আপনারা মিডিয়া প্রতিনিধিরা অবশ্যই জানেন, এরকম ব্যানার আমরা টাঙিয়েছি, আপনারা দেখেছেন।’আজকের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছে কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আজকের ঘটনায় সিভিলিয়ান কেউ এখনো হতাহত বলে আমার জানা নেই। কিন্তু আমার বাহিনীর ৮ জন হতাহত আছে। দুইজন ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে আছে বার্ন ইউনিটে।বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে বলেও দাবি করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে। আগুন আর ছড়াবে না কিন্তু নির্বাপন করতে সময় লাগবে।উৎসুক জনতার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এই মহাপরিচালক। শেয়ার রাজধানীবিষয়: