স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ নিউজ ৭১ অনলাইন নিউজ ৭১ অনলাইন প্রকাশিত: ৭:১২ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ অভিযুক্ত তিনজনখুলনার খালিশপুরে বন্ধুকে আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিনজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনার দৌলতপুর থেকে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে খালিশপুরের মদীনাবাদে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।ভুক্তভোগীর বন্ধু ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে ওই নবম শ্রেণির ছাত্রী বন্ধু মারুফ ও তার ফুফাতো ভাই মেসবাহের সঙ্গে দৌলতপুরের পাবলা এলাকায় বেড়াতে যায়। সেখানে মারুফের ফুফাতো ভাইয়ের দুই বন্ধু ইমন মোল্লা ও শিমুল চৌকিদার ওই কিশোরীকে খালিশপুর মদিনাবাদ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে মারুফকে আটকে রেখে মারধোর করে টাকা দাবি করে বাকি তিনজন।মারুফ টাকা আনতে বাইরে গেলে ওই কিশোরীকে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। পরে মারুফ মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়। তারা রাতে দৌলতপুর থানায় ঘটনাটি জানায়।ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর বন্ধু মারুফ জানান, আমাকে ফুফাতো ভাই মেসবাহ ডেকে নিয়ে যান দৌলতপুরের পাবলা এলাকায়। সেখানে আগে থেকেই ওর দুই বন্ধু ছিল। তারা আমাকেসহ আমার বন্ধুকে জোরপূর্বক একটি ইজিবাইকে উঠিয়ে সারা রাস্তা মারধর করে খালিশপুরের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তারা আমার কাছে টাকা দাবি করে। টাকা আনতে বাইরে গেলে ওরা তিনজন আমার বন্ধুর (স্কুলছাত্রী) ওপর নির্যাতন চালায়। আমি আসার পর তারা কাউকে কিছু না বলার জন্য আমাকে হুমকি দিয়ে চলে যায়।পরে আমি বন্ধুর স্বজনদের বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশকে খবর দেই।ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর ভাই বলেন, আমরা এ নির্যাতনের বিচার চাই। ওদের ফাঁসি হোক। আর কেউ যেন এমন নির্যাতনের শিকার না হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে খালিশপুর থানায় মামলা করেছেন।অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের খালিশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্তরা।খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর বলেন, আসামিরা প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শেয়ার সারা দেশবিষয়: