জটিল সমীকরণে রোহিঙ্গা ইস্যু

প্রত্যাবাসনের বিকল্প কোন পথ নেই

প্রকাশিত: ২:২৩ অপরাহ্ণ , আগস্ট ২৭, ২০২২

মোয়াজ্জেমুল হক

প্রত্যাবাসন না তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন? বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা ইস্যুটি জটিল সমীকরণে আবদ্ধ। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু নিয়ে সময় যতই গড়াচ্ছে, দেশের জন্য তা তত বেশি ক্ষতি ডেকে আনছে। রোহিঙ্গাদের ঘিরে নানামুখী জঞ্জাল দেশের প্রশাসনকে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রেখেছে। সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিবেশ ক্রমশ ধ্বংস হচ্ছে।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের এদেশে অবস্থানের পাঁচ বছর পূর্তিতে গত ২৫ আগস্ট সরকার পক্ষে এবং বিশে্বর বিভিন্ন দেশ ও সাহায্য সংস্থার বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য এসেছে। এসব বক্তব্য ইতিবাচক হলেও অন্যতম শক্তিশালী দেশ এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ভূ-রাজনীতি নিয়ে ওতপ্রোতভাবে জড়িত চীন কোন বক্তব্য বা বিবৃতি দেয়নি। তবে ইতোপূর্বে দীর্ঘ সময় পর এ দেশটি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দিয়েছিল।

রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোন দেশে পুনর্বাসনের প্রক্রিয়াটি জটিল সমীকরণে আবদ্ধ। এক্ষেত্রে সহজতর কোন উপায় নেই। যারাই ইচ্ছা প্রকাশ করুক না কেন মূলত আশ্রিত এত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা নিয়ে কোন দেশ যে কার্যকর উদ্যোগ নেবে না তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। গত পাঁচ বছর ধরে এরা এদেশের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে রয়েছে। হাতেগোনা দু-একজন তৃতীয় দেশের আশ্রয় পেলে তা উদাহরণে আসে না। মূলত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়াটি কার্যকর করাই শ্রেয়। কেননা বাংলাদেশ আগে থেকেই বলে আসছে রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের, সমাধানও করতে হবে মিয়ানমারকে। এর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে নানামুখী বর্বরতায় লাখ লাখ রোহিঙ্গা বিভিন্ন পথে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় গ্রহণ করে। এরপর থেকে ঢাকা ও নেপিদো দফায় দফায় বৈঠক হলেও প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি। দু’দফা চেষ্টা করে হোঁচট খেয়েছে। এরপর থেকে সরকার জাতিসংঘসহ বিশে্বর শক্তিশালী বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে আসছে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর জন্য। কিন্তু এই পর্যন্ত ইতিবাচক কোন সুফল আসেনি। তবে গত ২৫ আগস্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান ইঙ্গিত দিয়েছেন আগামী সেপ্টেম্বর মাসে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে।
আর মাত্র এক মাস সময়ের মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু করার মতো কঠিন একটি কাজ করা যাবে কিনা তা নিয়ে রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের মতে, মিয়ানমার হয়ত বিশ্ব সম্প্রদায়কে নামমাত্রভাবে দেখাতে চাইবে তারা প্রত্যাবাসনে ইচ্ছুক।

অপরদিকে আশ্রিত রোহিঙ্গারা একযোগে আওয়াজ তুলে রেখেছে নাগরিকত্ব প্রদান করা না হলে তারা নিজ দেশে ফিরে যাবে না। নাগরিকত্ব প্রদানের পর আসছে আরও অন্যান্য ইস্যু। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, সেখানে জীবনযাপনের পরিবেশের বিষয়টি। কিন্তু ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পক্ষে জানান দেয়া হয়েছে, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে যাওয়া এবং নিরাপদে বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এখনও সেখানে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। এসব প্রশ্ন নিয়ে উত্তর খুঁজছে রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল। সঙ্গত কারণে কার্যকর প্রত্যাবাসন কখন শুরু হবে তা বড় ধরনের জিজ্ঞাসা সৃষ্টি হয়েছে।

রোহিঙ্গা শিবিরে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন এমন একজন কর্মকর্তা শুক্রবার জনকণ্ঠকে জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার ঘোষণাটি আদৌ কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এ ব্যাপারে মিয়ানমার প্রকাশ্যে এখনও কোন বক্তব্য দেয়নি। এর পাশাপাশি তাদের প্রধান মিত্র চীনের পক্ষ থেকেও কোন বক্তব্য আসেনি। যদিও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের কর্মরত ১৪টি বিদেশি দূতাবাস ও হাইকমিশন গত বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলেছে রোহিঙ্গা সঙ্কটে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানে প্রচেষ্টা চালানো হবে। এসব দেশ ও সংস্থার মধ্যে রয়েছে ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক, ইইউ, ফ্রান্স, জার্মান, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র।

অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যান্টনি বিøংকেন বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসন করা হবে। অনুরূপ প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে জাপানের পক্ষেও। কিন্তু তারা কী পরিমাণ রোহিঙ্গা পুনর্বাসন করবে, তা নিয়ে কোন স্পষ্ট বক্তব্য দেয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এ ধরনের বক্তব্য মূলত আপেক্ষিক। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন কার্যকর করা ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই। সময় যত গড়াচ্ছে রোহিঙ্গাদের এদেশে অবস্থান ততই ঘোলাটে পরিবেশ ও পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এদের অবস্থান উখিয়া, টেকনাফে বহু আগেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে রেখেছে। প্রথমত এরা সেখানে আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতি ঘটিয়ে রেখেছে। এর পাশাপাশি পরিবেশের অচিন্তনীয় ক্ষতি সৃষ্টি করে রেখেছে। এ ছাড়াও এদেশের বিভিন্ন স্থানে এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। দিন যতই গড়াচ্ছে এদের সংখ্যা ততই বাড়ছে। কেননা ইতোমধ্যে পরিসংখ্যান এসেছে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিবছর ৩০ হাজার শিশু জন্ম নিচ্ছে। আগামীতে আরও বেশি হারে জন্ম নিতে পারে। তাহলে বিষয়টি কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।

রোহিঙ্গারা এদেশে মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিক হিসেবে সরকারী খাতায় লিপিবদ্ধ হয়েছে। কিন্তু চোরাপথে এদের অনেকে ইতোমধ্যে এদেশে জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র এমনকি পাসপোর্টও হাতিয়ে নিয়েছে। এই সংখ্যা কম হলেও বিষয়টি দেশের জন্য নেতিবাচক হচ্ছে, কেননা এদের মধ্যে যারা বিদেশে যাচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গিয়ে নানাভাবে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে। তবে ইতোপূর্বেকার চেয়ে সরকার কঠোর মনোভাবে এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করে চলেছে। রোহিঙ্গারা যাতে কোন অবস্থায় এদেশের জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট যাতে হাতিয়ে নিতে না পারে সে লক্ষ্যে নানাবিধ কঠোর ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তৃতীয় দেশে পুনর্বাসন না নিজ দেশে প্রত্যাবাসন এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর হবে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন। কেননা এত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের তৃতীয় কোন দেশে পুনর্বাসন অসম্ভব একটি ব্যাপার। এত বড় ধরনের ঝামেলা কোন দেশ নিতে ইচ্ছুক নয়। হাতেগোনা যে ক’জন রোহিঙ্গা তৃতীয় দেশে পুনর্বাসিত হয়েছে তা সে দেশের আগে থেকে অবস্থানরত আপনজনদের সূত্রেই হয়েছে।

এ বিষয়টি আলোচনায় না এনে প্রত্যাবাসনের দিকেই যে কঠোর অবস্থান বাংলাদেশের রয়েছে সেটাই ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে। হাতেগোনা কয়েকটি দেশে আপনজন প্রক্রিয়ায় একেবারে ক্ষুদ্রসংখ্যক রোহিঙ্গা পুনর্বাসিত হয়েছে। আবার মুসলিম বিশে্বর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে এই পর্যন্ত তাদের কোন মনোভাব প্রকাশ করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে বিভিন্ন পথে হাতেগোনা কিছু রোহিঙ্গা প্রবেশ করে অবস্থান নেয়ার পর তাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। এই সংখ্যা বাংলাদেশে আশ্রিতদের সংখ্যায় উল্লেখ করার মতো নয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের পর জাতিসংঘের হিসাবমতে, ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, ১১ লাখের বেশি। ইতোমধ্যে পাঁচ বছরে যেসব শিশুর জন্ম হয়েছে তা গড়ে বছরে ৩০ হাজার হবে। এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজারে। নতুন এই সংখ্যা যোগ করলে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখের বেশি।

এ ছাড়া বহু আগে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা রয়েছে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি। এই সংখ্যা যোগ করলে হয় প্রায় ১৬ লাখ। রোহিঙ্গা শিবিরে জন্মহারের গতি অব্যাহতভাবে এগিয়ে গেলে আগামী পাঁচ বছর পর এই সংখ্যা হবে সাড়ে ১৭ লাখেরও বেশি। ওই সময়ে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে গড়াবে তা আগেভাগে বলা মুশকিল।

সূত্র জানায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মূলত ভূ-রাজনীতির সহিংসতার শিকার হয়ে রোহিঙ্গাদের সমূলে উৎপাটন করেছে সে দেশের সরকার। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার সরকার তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছেছে। এই পরিকল্পনা তাদের যে বহু আগের তা পরবর্তীতে উন্মোচন হয়েছে।

সূত্রমতে, এখন নতুন করে প্রত্যাবাসনের যে সময় বলা হচ্ছে তা মূলত কার্যকর হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়ে গেছে। তবে এ সংক্রান্তে জাতিসংঘসহ প্রভাবশালী অন্যান্য রাষ্ট্রসমূহকে সিদ্ধান্তের এক-কাতারে নিয়ে আসা গেলে সুফল আসতে বিলম্ব হবে না।

মিয়ানমারে বর্তমানে সামরিক জান্তা সরকার ক্ষমতায়। এই সরকার এমনিতেই নানামুখী বিশ^ চাপে রয়েছে। বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে। এই অবস্থায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুটি বিশ^জুড়ে আলোচনার পাদপীঠে রয়েছে। সময় এসেছে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করানোর। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের এদেশে আশ্রয় গ্রহণের পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর বিষয়টি বিশ^জুড়ে নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। এরই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষে বক্তব্য, বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, এই প্রেক্ষাপটে এসব বক্তব্য যাতে কথার কথা না হয় সে জন্য বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে তা কার্যকর করার সচেষ্ট থাকতে হবে। এতে করে সুফল আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে আরও একটি কথা আলোচনায় এসেছে; সেটি হচ্ছে রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে এখন যে বলা হচ্ছে, তাদের দেশে নাগরিকত্ব দেয়া না হলে তারা যাবে না। প্রশ্ন উঠেছে বর্তমানে যেসব রোহিঙ্গা মিয়ানমারজুড়ে রয়েছে তাদের নাগরিকত্ব আছে কিনা। আর রোহিঙ্গা যখন এদেশে পালিয়ে আসছিল, তখন তাদের নাগরিকত্ব ছিল কিনা। নাগরিকত্বের বিষয়টি স্ব-স্ব দেশের নিজস্ব ব্যাপার। নাগরিকত্বের কথা তুলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন ইস্যুতে পিছপা হওয়ার সুযোগ নেই। যেখান থেকে এসেছে অর্থাৎ তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে কোন ধরনের শর্ত দেয়ার সুযোগ নেই।

এদেশে অবস্থানের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে উখিয়ায় বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের যে সমাবেশ হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে তাদের ব্যানারে বাংলাদেশকে ধন্যবাদ প্রদান সংক্রান্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সে কারণে রোহিঙ্গাদের বোঝা উচিত বাংলাদেশের মানুষ তাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কী পরিমাণ দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে। আর রোহিঙ্গা আশ্রিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলার কী রকম অবনতি ঘটিয়েছে সেটাও তাদের বিবেচনায় আনা প্রয়োজন।

অপরদিকে সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে এবং পরবর্তীতে এদের মাধ্যমে সে দেশে উৎপাদিত মাদক পাচারে উদ্বুদ্ধ করেছে। এই দুটো বিষয় বাংলাদেশে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে এনেছে। বন্ধপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের এ পথে এগোনো কোনভাবেই সমুচিত হয়নি বলে আখ্যায়িত করা হলে তা অনুচিত হবে না বলে মত রয়েছে নানা মহলের। -জনক্ন্ঠ

Loading