দিনব্যাপী আয়োজনে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন করেছে বশেমুরবিপ্রবির শেখ রাসেল হল

প্রকাশিত: ৩:২৩ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ১৯, ২০২১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ১৮ অক্টোবর (রবিবার) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হল কর্তৃক সারাদিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে শেখ রাসেল হল কর্তৃক দিনব্যাপী কর্মসূচি গুলোর মধ্যে ছিলো:- সকাল ১০:০০ তে কবুতর অবমুক্তকরণ, ১০:১৫ তে কেক কাটা, ১০:৪৫ টায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ১১:০০ টায় বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও শেখ রাসেল সম্পর্কিত কুইজ প্রতিযোগিতা, ১১:১৫ তে বিশ্ববিদ্যালয় ও শেখ রাসেল হলের লোগো সম্বলিত মাস্ক বিতরণ, বিকাল ৩.৩০ এ ৪:৩০ এ বারোয়ারি বিতর্ক, সন্ধ্যা ০৬:৩০ এ শেখ রাসেলের জীবনী প্রদর্শনী এবং সন্ধ্যা ৭:০০টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য ড. এ কিউ এম মাহবুব। প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “শেখ রাসেলের মত শিশুরা যেন অঙ্কুরের আগেই বিনষ্ট না হয়ে যায় তাদের যেন বিকশিত হতে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সরকার এ বছর থেকে এই দিনটিকে শেখ রাসেল দিবস হিসেবে উদ্যাপন করতে যাচ্ছে যা আমাদের শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শেখ রাসেল মানে শুধু রাসেলের নাম না বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখতেন তারই মত এই ছোট শিশু দেশের হাল ধরবেন তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য।”

এছাড়া জন্মদিন উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্ত প্রদানকারী সংগঠন বাঁধনের সহায়তায় দিনব্যাপী ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন করা হয়।

আয়োজন প্রসঙ্গে হল প্রভোস্ট মো: ফায়েকুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো দেশের একজন বরেণ্য দার্শনিক বা বুদ্ধিজীবী হতে পারতেন । কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য যে আমারা তাকে ১৯৭৫ সালের নৃশংস হত্যাকান্ডে হারিয়েছি। সরকার শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনকে ‘ক’ শ্রেণীর অনুষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে এটাকে শেখ রাসেল দিবস হিসেবে ঘোষনা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরাও তার জন্মদিন উপলক্ষে শেখ রাসেল হলের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি। এই আয়োজনে আমাদের সহযোগিতা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্তদাতা সংগঠন বাঁধন এবং বশেমুরবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। আমরা আশা করছি এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা শেখ রাসেল সম্পর্কে জানতে পারবে এবং শেখ রাসেলকে মনেপ্রানে ধারণ করতে পারবে। আমরা চাই শিশু রাসেলের মানবিকতা ও নৈতিক গুণে আগামী প্রজন্ম বেড়ে উঠুক সেই প্রত্যাশার সাথ সাথে এটাও আশা করি ৭৫ এর আগস্ট যে নরপশুরা ছোট শিশু রাসেলকেও হত্যা করেছিল তাদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করার মাধ্যমে জাতিকে দায়মুক্ত করা হোক।’

১৯৬৪ সালের ১৮অক্টোবর জাতির পিতার স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু বাসভবনে শেখ রাসেলের জন্ম হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অন‌্য সদস‌্যদের সঙ্গে তাকেও হত্যা করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল শেখ রাসেল।