স্বরচিত কবিতা

প্রকাশিত: ১১:২৩ অপরাহ্ণ , জুলাই ৪, ২০২১

কাজের শিশু
সামছুদ্দোহা ফরিদ
দেখেছিলাম এক গৃহে
জড়ো সরো হীন মনে
বসে আছে ঘরের মেঝে
একটি শিশু মেয়ে।
সবাই বসা সুফায়
একা সে নীরব ভাষায়
চোখের স্বপ্ন চোখে,মনের আশায়
তিলে তিলে মরে অনিশ্চিত হতাশায়।
হাক আর ডাক,ছুটা ছুটির কাজ
দুঃখে হীন মনে নেই তার লাজ।
আসি আসি চোখের জল,আখিঁ জলে টলমল
জানিবার অভিপ্রায় দুঃখ জানার ছল।
টেনে নিলাম কাছে, বেদনার শোকে
বললাম,তোর মা বাবা বেঁচে কি আছে?
উত্তর, নিশ্বাস ছেড়ে, তারা গেছে মরে
আমার এ ভবে, কখন ছিল কে কবে!
পাখির ডানায় শিশু পাখি মানায়
সে থাকে কোলে, সব দুঃখ ভুলে।
আমি শিশু হোসনা আদরে অনাদরে
আমার অন্তর স্বত্ত্বা অনিশ্চিত ভাবনায় কেঁদে মরে।
মোর সবাক মুহূর্তে হল নির্বাক
শুনে বেদনার কথা, মনে জন্মিল ব্যথা।
কাছে নিলাম টেনে সকল যাতনা শুনে
এতিম বলে দিলাম মাথায় হাত বুলে।
সেই আদর স্মৃতি, হয় না তার বিস্মৃতি
এতটুকুন আদর,প্রত্যাশায় দিন ভর,
মামা মামা ডাকে কাজের ফাঁকে ফাঁকে
জানায় চোখের ভাষায় মামা যেন কোথায়!
এমন যদি হত ঐ শিশুর মত
আমার সন্তান ক্ষণ, কেমন হত মন?
ধনী আর গরিবের ব্যবধান,সে তো বিধাতার বিধান
সবার ব্যথা সবাই বুঝি, বিধাতা রাখবেন সম্মান।

Loading