পররাস্ট্র সচিবসহ পদস্থ কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু পরিদর্শন।

বাহার উদ্দিন বাহার উদ্দিন

রামগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৯:৩১ অপরাহ্ণ , মার্চ ৫, ২০২১

বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু-১ উদ্বোধন ২৬ মার্চ।
রামগড়-সাব্রুম  সীমান্তে  ফেনীনদীর ওপর নির্মিত বাংলাাদেশ ভারত  মৈত্রী সেতু-১ এর  উদ্বোধন হবে ২৬ মার্চ স্বাধীতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে । বংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আনুষ্ঠানিকভাবে এ মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করবেন।  পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন  শুক্রবার(৫ মার্চ) সেতুটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।  তিনি বলেন,  অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণসহ পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর সেতুটি চালু হলে দুদেশই অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে। এ সময় পদস্থ সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।  তিস্তা প্রসংগে এক প্রশ্নের জবাবে পররাস্ট্র সচিব বলেন, তিস্তা ইস্যুতে ভারতের অবস্থানের কোন পরিবর্তন হয়নি। তারা এখনও আগের অবস্থানেই আছে। তবে বাংলাদেশ  সরকার এ সমস্যা সমাধানে প্রচেস্টা অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও বলেন, বহষ্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুদেশের পররাস্ট মন্ত্রীর বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিস্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সাথে কেন্দ্রিয় সরকারের সমস্যা এখনও রয়েগেছে। এ সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিস্তা সমস্যার কোন সমাধান তারা করতে পারবেনা বলে ওদের পররাস্ট্র মন্ত্রী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সামনে ওদের নির্বাচন আছে। আমরা তা পর্যবেক্ষন করছি। আমরা আশা করছি রাজ্য সরকারের বেøচিং(সহায়তা) নিয়েই তিস্তা সমস্যার সমাধান হবে, কার্যকর হবে তিস্তা চুক্তি।’  তিনি আরও বলেন, তিস্তর অগ্রগতি না হলে অন্যান্য বিষয়গুলো থেমে থাকবে তা কিন্তু নয়। আগামী ১৬ র্মাচ দুদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ে বৈঠক হবে। করোন মহামারির কারণে এ বৈঠক অনেকদিন হয়নি। ১৬ মার্চের এ বৈঠকেও তিস্তাসহ ৬টি অভিন্ন নদীর সমস্যা এবং আরও কয়েকটি ইস্যু নিয়ে সার্বিক আলোচনা হবে। এরপরেই মন্ত্রী পর্যয়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত আছে। বৈঠকগুলোতে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলোর  কিছু কিছু সমাধান হবে। ফেনীর পরশুরামের বিলোনিয়া সীমান্তে মুহুরির চর নিয়ে দুদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিরোধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাস্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, অনেকদিন ধরে এ বিষয়টিও ঝুলে আছে। এটিরও সমাধানের চেস্টা করছি। বৃহষ্পতিবার দুদেশের পররাস্ট্র মন্ত্রীর বৈঠকেও এ বিষয় আলোচনা হয়েছে। গত ডিসেম্বেরে তাদেরকে কিছু প্রস্তাবনাও দেয়া হয়েছে। কাছাকাছি আর কয়েকটি স্থানেও এ ধরণের বিরোধ রয়েছে। আমরা চাচ্ছি এক সাথে সবগুলোর সমাধান করতে।