কালিহাতীতে যুবদলের ৩৭ জন নেতাকর্মী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ২, ২০২১

কালিহাতী উপজেলা, কালিহাতী পৌর ও এলেঙ্গা পৌর যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে
তুলকালাম কান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে
স্বেচ্ছায় যুবদলের ৩৭ জন নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা যুবদলের নেতা রফিকের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ত্যাগি ও পরিক্ষিত মামলা হামলার শিকার হয়েছে তাদের বাদ দিয়ে, আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাতকারীদের পদ পদবী করার অভিযোগ এনে তাঁরা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

পদত্যাগকারীরা হলেন, উপজেলা যুব দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজনু মিয়া, সদস্য রফিকুল ইসলাম, রাশেদ তালুকদার, রোকনুজ্জামান স্বপন, আমিনুল ইসলাম লিটন, শফিকুল ইসলাম খান, জাহাঙ্গীর আলম, হামিদুর রহমান, আরিফুল ইসলাম, কালিহাতী পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজগর আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বারেক, আবু সাঈদ, বাহাদুর, সদস্য সোনা মিয়া, শাহ আলী, মামুন ভূঁইয়া, মীর মুন্না, আব্দুল বাছেদ, জিয়াউল হক, পলাশ, শুকুর মাহমুদ, নুরুজ্জামান, এলেঙ্গা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল ফকির, চাঁন মিয়া, ফারুক হোসেন, মির্জা শরিফুল ইসলাম বাবলু, মাসুদ রানা, সদস্য আলমগীর হোসেন, খালেকুজ্জামান মানিক, আলতাফ হোসেন, শাহ আলম, স্বপন দাস, মনোয়ার হোসেন, রফিকুল ইসলাম,হেকমত আলী ও শাহ আলম।

সংবাদ সম্মেলনে যুবদলের নেতারা বলেন, ‘ঘোষিত কমিটির সদস্য সচিব শামীম আল মামুন প্রামানিক গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন দেওয়া হলে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রার্থী সাথে আঁতাত করে অর্থের বিনিময়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। কালিহাতী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা তিনি একজন কট্টর আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক হাসমত আলীর রেজা গত সংসদ নির্বাচনে ঘাটাইল উপজেলার আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা করেন। নুরুজ্জামান আহমেদ এবং ইদ্রিস আলী আওয়ামী লীগের এজেন্ট বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। কমিটিগুতে আওয়ামী পরিবার এবং এজেন্ট ধারা কমিটি করা হয়েছে। প্রকৃত অর্থে কি নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।তাহার কারণে উক্ত কমিটিগুলো হইতে আমরা সজ্ঞানে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে বাধ্য হইলাম।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে একটি সুসংগঠিত কমিটি ও ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের দিয়ে সাংগঠনিক কমিটি দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।