আতিক উল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলায় ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ২, ২০২০

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরীকে হত্যার পর লাশ পোড়ানোর মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারক।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. জাহাঙ্গীর ওরফে জাহাঙ্গীর খাঁ, আহসানুল কবির ইমন, রফিকুল ইসলাম আমিন ওরফে টুণ্ডা আমিন, শিহাব আহমেদ শিবু, তাজুল ইসলাম তানু, মো. আসিফ ও গুলজার হোসেন। এর মধ্যে কারাগারে থাকা জাহাঙ্গীর ও ইমনকে রায়ের সময়ে আদালতে হাজির করা হয়। বাকিরা সবাই পলাতক রয়েছেন।

এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আতিক উল্লাহ চৌধুরীর ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন ইউপি চেয়ারম্যান আতিক উল্লাহ চৌধুরী। পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে লাশ শনাক্ত করেন তার ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

পরে এ ঘটনায় আতিক উল্লাহর ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১৫ সালের ২ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত।