সীমিত আকারে চালু সব পর্যটন কেন্দ্র

প্রকাশিত: ১:৪১ অপরাহ্ণ , আগস্ট ২১, ২০২০

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আজ শুক্রবার থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র। এর আগে ১৭ আগস্ট (সোমবার) স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে সীমিত আকারে কক্সবাজার সৈকত তীরের হোটেল, মোটেল, কটেজ, রেস্ট্যুরেন্টসহ পর্যটন শিল্প সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার অনুমতি দেয় স্থানীয় জেলা প্রশাসন। 

গতকাল বৃহস্পতিবার বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত করোনা ভাইরাস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়, শর্তসাপেক্ষে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল-মোটেল খুলে দেয়া হবে। তবে সংক্রমণ বাড়লে আগের লকডাউন অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হবে বলেও জানায় জেলা প্রশাসক।

এ বিষয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো: দাউদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘দেশের অন্যান্য জায়গায় পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হলেও বান্দরবানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ না কমার কারণে এত দিন পর্যটন কেন্দ্রসহ হোটেল- মোটেলগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে সংক্রমণ অনেকটা কমে আসায় শর্তসাপেক্ষে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে জেলার সব পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল-মোটেল খুলে দেয়া হয়েছে।

এ দিকে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে বান্দরবানের পর্যটন ব্যবসায়ীরা স্বাগত জানিয়েছেন। জেলার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বান্দরবানে সম্ভাবনাময় পর্যটনশিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক হোটেল-মোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক কর্মচারী ছাঁটাই করা হয়েছে। তবে সংক্রমণ কমে আসায় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত পর্যটনশিল্পকে আগের মতো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে ব্যবসায়ীরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম হোসেন জানিয়েছেন পর্যটনশিল্পনির্ভর প্রতিটি সেক্টরের জন্য আলাদা আলাদা শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এসব শর্ত সংশ্লিষ্টদের অবশ্যই মেনে চলতে হবে; সেই সাথে স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অরপদিকে, এর আগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, জেলার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রায় কয়েক লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত। তাদের কথা চিন্তা করে সীমিত আকারে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পর্যটন শিল্প খুলে দেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রণীত কর্মপন্থার সকল নিয়মাবলি মেনে চলতে হবে।