কক্সবাজারে ২৪ ঘণ্টায় ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টি

প্রকাশিত: ৬:৫৭ অপরাহ্ণ , জুন ৮, ২০২৬

পঞ্জিকার পাতায় আষাঢ় শুরু না হলেও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের কক্সবাজার উপকূল দিয়ে প্রবেশ করেছে। এর মধ্য দিয়ে কক্সবাজার অঞ্চলে বর্ষার ‘উৎসব’ শুরু হলো বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কক্সবাজার উপকূল দিয়ে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ এ বছরের বর্ষাকাল শুরু হলো। গতকাল রোববার (৭ জুন) পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৬২ মিলিমিটার।

বৃষ্টির ঘনঘটা আগামী ৬ থেকে ৭ দিন কমবেশি অব্যাহত থাকতে পারে। আজও কক্সবাজারে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার এক সতর্কবার্তায় গতকাল রোববার জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সাগর উত্তাল রয়েছে। জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেও পর্যটকরা সাগরে গোসলে নেমে পড়ছেন। তবে তাদের সতর্ক করতে মাইকিংয়ের পাশাপাশি হাটু সমান পানিতে থাকতে নির্দেশ দিচ্ছে লাইফ গার্ড কর্মীরা।

সি-সেফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, বর্ষার আগমনে সাগর এখন উত্তাল রয়েছে। তার সঙ্গে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতও দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় সৈকতের ৩টি পয়েন্টে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ৩টি পয়েন্টের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে। লাইফ গার্ড কর্মীরাও সতর্ক রয়েছেন

Loading