বেনাপোল বন্দরে ৬ কোটি টাকার ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আটক, প্রতিনিয়ত এরকম কাজ হলেও অভিযান সীমিত স্টাফ রিপোর্ট স্টাফ রিপোর্ট যশোর প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ , মার্চ ১৩, ২০২৬ {“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[“local”],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“transform”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}বেনাপোল স্থবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা বিপুল পরিমাণ ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। আটককৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে ভারত থেকে আমদানিকৃত একটি পণ্য চালান বেনাপোল বন্দরের ৩৭ শেডে ভারতীয় একটি ট্রাক (ডব্লিউ-১৫,ই-৮৫৯৩ নম্বর) আনলোড করা হয়। পণ্যচালানটি বাংলাদেশি একটি ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট-১৪-৯২৪৭ নম্বর) লোড দেওয়ার জন্য গেট পাশ করা ছিল।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ সময় পণ্যচালানটি পরীক্ষণ করে দেখা যায় বেকিং পাউডার আমদানি করা পণ্যে বেকিং পাউডারের সাথে লুকিয়ে অত্যন্ত দামী এবং উ”চ শুল্কযুক্ত বিভিন্ন পোশাক ও প্রসাধনী আনা হয়েছে। এই পণ্যের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার সাফা ইমপেক্স। চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট ছিল বেনাপোলের হুদা ইন্টারন্যাশনাল। ৩৭ নং শেডের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টোর কিপার ছিলেন আরিফুল ইসলাম ও নুর আহম্মেদ।পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও এনএসআই কর্মকর্তারা চালানটি পরীক্ষা করে ১০৮টি প্যাকেজে ঘোষণা বহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য উদ্ধার করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রিমিয়ার কোয়ালিটির ৬ হাজার ৫৩০ পিস শাড়ি, ৫৮৮ পিস থ্রি-পিস, ৩০০ পিস টু-পিস, ৫২০ পিস ওড়না, ২৬০ কেজি বেবি ওয়্যার, ৫০৯ কেজি ফেইস ওয়াশ, ৬৫ কেজি বডি লোশন, ৬০ কেজি জর্দা তৈরির কেমিক্যাল ও বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী ২২৩ কেজি।কাগজপত্রে ১৩০ বস্তা বেকিং পাউডার উল্লেখ থাকলেও সেখানে পাওয়া গেছে ১০৮ বস্তা। অনেকে ধারনা করছে বাকি ২২ বস্তাতেও দামি কোন পণ্য ছিল যা গোগনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। বেনাপোল কাস্টমসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, বেকিং পাউডার ঘোষণা দিয়ে উন্নতমানের শাড়ি-থ্রি-পিস ও কসমেটিক্স সামগ্রী আনা হয়েছে। শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। পণ্যগুলো কাস্টমসের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জরিমানা আদায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শেয়ার অর্থ ও বানিজ্যবিষয়: