বেনাপোল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড ভবারবেড় বাসী তাদের “জামাই “ধানের শীষের প্রার্থীকে বরণ করে নিলেন স্টাফ রিপোর্ট স্টাফ রিপোর্ট যশোর প্রকাশিত: ৪:০৭ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ {“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[“local”],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{“transform”:1},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:true,”containsFTESticker”:false}ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মো.নুরুজ্জামান লিটন এর প্রচারনায় মঙ্গলবার(২৭ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় বেনাপোল পৌর ৬নং ওয়ার্ডের ভবারবেড় গ্রামে “আমাদের জামাই,আমাদের জামাই বলে নুরুজ্জামান লিটন’কে ফুল ছড়িয়ে বরণ করে নেন ঐ গ্রামের নারী-পুরুষ।নির্বাচনী প্রচারনা মাঠে যোগ দেওয়া স্থানীয় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতা’র শশুড়বাড়ী ঐ গ্রামে হওয়ায় তাদেরকে সন্মান দিতে গিয়ে নুরুজ্জামান এই গন্ডির মধ্যে পড়ে যান,যার ফলে তাকেও জামাই হিসেবে বরণ করে নেন ভবারবেড় গ্রামবাসী।নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন-পৌর বিএনপি’র সভাপতি-মো.নাজিম উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক-আবু তাহের ভারত,সহ-সভাপতি- মাসুদুর রহমান মিলন,মফিজুর রহমান সজন, এ কে এম আতিকুজ্জামান সনি,শাহাবুদ্দিন, হবিবুর রহমান হবি,শার্শা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক-মো.সহিদ আলী,পৌর পরিবেশ সম্পাদক-মাসুদুর রহমান কাক্কু ভাই,শার্শা যুবদল যুগ্ম আহবায়ক-মো.শহিদুল ইসলাম,পৌর যুবদল আহবায়ক-মফিজুর রহমান বাবু,সদস্য সচিব-রায়হানুজ্জামান দিপু,শার্শা ছাত্রদল আহবায়ক-শরিফুল ইসলাম চয়ন,পৌর ছাত্রদল আহবায়ক-মো.আরিফুল ইসলাম আরিফ,পৌর কৃষকদল সভাপতি-জামাল উদ্দিন,সহ-সভাপতি-হাসান ইমাম,স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি-ওমর ফারুক সহ ঐ এলাকার বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-নেতৃবৃন্দ।আব্বাস আলী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তার বক্তব্যের পর সুশাসন, জনসেবা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে নুরুজ্জামান লিটন বলেন, জনগণের সুস্বাস্থ্য, উন্নত চিকিৎসা সেবা এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে আলোকপাত করেন। আগামী দিনে এই সেবাগুলো নিশ্চিত হবে কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।আসন্ন নির্বাচনকে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, সঠিক নির্বাচন এবং সঠিক জায়গায় ভোট প্রদানই পারে বাংলাদেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে। অন্যথায় দেশ পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র অতীত সাফল্যের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিএনপি মোট ৫ বার ক্ষমতায় ছিল এবং জনগণের সেবা করেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তার এবং তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি দেশের অগ্রগতির জন্য বিএনপি এবং ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।বর্তমান সময়ের সাথে বিএনপির শাসন আমলের দ্রব্যমূল্যের তুলনা করে তিনি দাবি করেন, বিএনপির সময় কাঁচা মরিচ, টমেটো বা মূলার মতো সবজি বিক্রি না হওয়ায় কৃষকরা রাস্তায় ফেলে দিত, অথচ এখন এগুলোর দাম অনেক বেশি। তিনি জিয়াউর রহমানকে ‘আল্লাহর রহমত’ হিসেবে অভিহিত করেন।তিনি বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মানুষ খাদ্যাভাবে ডাস্টবিন থেকে খাবার খেত। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর কৃষি বিপ্লব ঘটান।তিনি দাবি করেন যে, বাংলাদেশে ইরি ধানের চাষ জিয়াউর রহমানের মাধ্যমেই শুরু হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় এবং উদ্বৃত্ত ফসল বাজারে বিক্রি করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পায়।জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তিন বেলা পেট ভরে খাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।গার্মেন্টস শিল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আজ লাখ লাখ নারী এই শিল্পে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশীদের জন্য বিদেশে (বিশেষ করে সৌদি আরবে) কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে জিয়াউর রহমানের বড় অবদান ছিল।তৎকালীন সৌদি সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তিনি এই দ্বার উন্মোচন করেন। ১৯৭১ সালে যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাউকে পাওয়া যাচ্ছিল না এবং রাজনৈতিক নেতারা নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন, তখন মেজর জিয়াউর রহমান নিজের পরিবারকে ঝুঁকির মুখে রেখে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।জামায়াতে ইসলামীসহ কিছু ধর্মীয় দলের সমালোচনা করে বলেন যে তারা ইসলামের কথা বললেও আসলে ধর্মের জন্য ত্যাগ স্বীকার করে না। তিনি দাবি করে বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক দল এবং তারা কোরআন ও নবীর সম্মানে শাপলা চত্বরে জীবন উৎসর্গ করেছে, যা অন্য কোনো দল করেনি। অভিযোগ করে বলেন যে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া অনুদানের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা বিমা তৈরি করা হচ্ছে এবং নির্বাচনী খরচ চালানো হচ্ছে। তিনি বিএনপি-র নেতাকর্মীদের আর্থিক সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তাদের পক্ষ সমর্থন করেন।তিনি জোর দিয়ে বলেন, যখন মানুষ সামাজিক বা পারিবারিক বিপদে পড়ে, তখন জামায়াতের কাউকে পাশে পাওয়া যায় না। তিনি বিএনপি’র স্থানীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করে বলেন যে বিপদে তারাই মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে কটাক্ষ করে বলেন, তারা কেবল “বেহেশতের টিকিট” বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেয় এবং মানুষের বিপদে সাহায্য না করে কেবল সুবিধা নিতে জানে।কেবল জামায়াতের প্রতীক “দাঁড়িপাল্লায়” ভোট দিলেই সব পাপ মাফ হয়ে যাবে—এমন ধারণা ভুল। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে পরকালে প্রত্যেকের কর্মেরই বিচার হবে। তিনি উপস্থিত জনতার কাছে জানতে চান যে কুরআন, হাদিস বা সাহাবীদের জীবনে কোথাও এই ধরণের “টিকিট” বা প্রতীকের মাধ্যমে পার পাওয়ার কোনো কথা আছে কি না। উপস্থিত জনতা সমস্বরে “না” বলে তার সাথে একমত পোষণ করেন।সৌদি আরবের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সৌদি আরব ইসলামের মূল কেন্দ্র হলেও সেখানে কোনো ইসলামিক রাজনৈতিক দল নেই। সেখানে রাজতন্ত্র প্রচলিত এবং সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। গণতন্ত্র বা ডেমোক্রেসি পশ্চিমা বিশ্বের সৃষ্টি। তিনি দাবি করেন যে, ইসলামে এই ধরণের ভোট বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা “অনুমোদিত নয়” বা “নিষেধ”।তারা একদিকে ইসলামের কথা বলে, অন্যদিকে “ইসলামে নিষিদ্ধ” গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় (ভোট) অংশগ্রহণ করে। তিনি একে মানুষের সাথে “ধোঁকাবাজি” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বিএনপি’র অবস্থান সম্পর্কে শেয়ার বাংলাদেশবিষয়: