আশুলিয়ায় মাদক দিয়ে যুবককে ফাঁসানোর চেষ্টা, মারধর : ফাঁড়ির এএসআই ও ইনচার্জ ক্লোজড

প্রকাশিত: ৬:৪৭ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১০, ২০২৫
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, পুলিশের মারধরের শিকার যুবক রনি আহমেদ

সম্প্রতি গভীর রাতে আশুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া শুটিংবাড়ি এলাকায় একটি বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে এক যুবকের হাতে জোরপূর্বক ইয়াবা দিয়ে ছবি তুলে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আশুলিয়া ফাঁড়ির এএসআই জহিরুল । টাকা দিতে অস্বীকার করলে ঐ যুববকে বেধড়ক মারধর করে ও মামলা দিয়ে চালান করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন এবং পরে আরও বিশ হাজার টাকা ফাঁড়িতে দিয়ে আসতে বলেন অভিযুক্ত পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম।

ঘটনার সময় আশুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও আশুলিয়া থানার উপ পরিদর্শক আবুল কালাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যুবক রনি আহমেদ।
একই রাতে এক আনছার সদস্যের অন্ডকোষ চেপে ধরেও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেন এএসআই জহিরুল। পরে তাকে আশুলিয়া ফাঁড়ি থেকে পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেয়া হয় । এর এক সাপ্তাহের ব্যবধানে আশুলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকেও ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। ওদিকে আশুলিয়ার আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় আশুলিয়া থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিককেও বদলী করা হয়েছে।
জনমনে প্রশ্ন, থানা ও ফাঁড়ির দায়িত্বে নতুন যারা আসছেন তাঁরা ভালো হবেন তো ?
আতংকে রয়েছেন ভুক্তভোগীরাও ,সাংবাদিকদের সামনে পুলিশের বিরুদ্ধে মুখখোলার কারণে তাদেরকে আবার কৌশলে প্রতিশোধ নিতে চাইবেনাতো?

উল্লেখ্য, আশুলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ গত ২০১৩ সালে আশুলিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন, ঘুরে ফিরে আবারও আশুলিয়ায় এসেছিলেন এই কর্মকর্তা।

Loading