ধামরাইয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে প্রথম গুলিবিদ্ধ নারীসহ আহতদের পাশে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা অভি

প্রকাশিত: ২:২০ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ৫, ২০২৪

 

ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে ধামরাইয়ে সর্বপ্রথম আহত হয়েছিলেন সাজেদা বেগম। সদর ইউনিয়নের শরীফভাগ বাজার এলাকায় আহত হয়েছিলেন তিনি। সাজেদার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে একজোট হয়ে আন্দোলনে নামেন আপামর জনসাধারণ। এসময় উপজেলায় সামনে পুলিশের গুলিতে আহত হোন সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র আরমান, হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে পুলিশের গুলিতে আহত হোন রিক্সা-চালক রাবিবুল হাসান।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই আহত নারীসহ তিনজন আহতদের পরিবার ও তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি। এসময় তিনি আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ও তাদের নগদ অর্থ প্রদান করেন।

আহত সাজেদা বেগম উপজেলার ধামরাই সদর ইউনিয়নের শরীফভাগ গ্রামের সাওকাত হোসেনের স্ত্রী, রাকিবুল হাসান স্বর্ণখালী গ্রামের বাবুল আখতারের ছেলে, আরমান হোসেন শরীফভাগ গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

সাজেদা জানায়, সে ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত হয়। এরপর সে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নেন। তার পরিবারে সে একজন আয়ের উৎস। রাতে তার মাথায় যন্ত্রণা হয়। বর্তমানে তিনি অসুস্থ্য থাকায় তার পরিবারের আর্থিক খরচ চালাতে সমস্যা হচ্ছে।

রাকিবুল হাসান জানায়, দেশের ক্রান্তি লগ্নে আন্দোলনে গিয়েছিলাম, হার্ডিঞ্জ স্কুলের সামনে পুলিশের গুলি আমার পায়ে লাগে। এখন আমি কাজ করতে পারি না আর যন্ত্রণা হয়।

সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আরমান বলেন, আমার চাচী যখন গুলিবিদ্ধ হয় আমরা এলাকাবাসী আন্দোলনে যাই। উপজেলার কাছাকাছি পৌছালে পুলিশের গুলি আমার মাথায় লাগে। আমি এখনও স্কুলে যেতে পারি না।

ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন আমি আমার সাধ্যমত তাদের পাশে দাড়াবো। তাদের জন্যেই আজকে বাংলাদেশে নতুন সূর্য উঠেছে। স্বৈরশাসকরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন— এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুম আহমেদ, যুগ্ম-আহবায়ক, মীর আকিব,থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহীন আহমেদ ভুঁইয়া শাওন প্রমুখ।

Loading