পটিয়ায় বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য হতে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

এস.এম.এ জুয়েল এস.এম.এ জুয়েল

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
চট্টগ্রামের পটিয়া এয়াকুবদন্ডী হুলাইন পাইরোল উচ্চ বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য হতে আর্থিক অনিয়ম এবং পরিচালনা পরিষদ নির্বাচনে সেচ্ছাচারিতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষক পার্থ সারথী সাহার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দীন ভূঞা জনী বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ডা: এ কে এম নাছিরউদ্দীন।

অভিযোগ সূএে জানা যায় বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণকৃত জায়গা রেজিষ্ট্রে না নিয়ে ১০ লক্ষ টাকা বিদ্যালয় থেকে খরচ দেখানো হয়। জায়গার প্রকৃত মালিক না হয়েও তাদের মালিক সাজানো হয়। টাকা ও জমি কিছুই না দিয়ে বিদ্যালয়ে দাতা সদস্য হতে সাজানো গোছানো অনিয়ম করা হয়। এ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মর্তুজা কামাল চৌধুরী, কোহিনূর সালাম, সুলতানা নূর, শামীম মোরশেদ, শামশাদ নূরের বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারী সাবেক সভাপতি ডা: এ কে এম নাছির উদ্দীন বলেন আমার পিতা জনাব মাে: ছগির আহমদ প্রতিষ্টাতাগণের মধ্যে অন্যতম একজন প্রতিষ্টাতা সদস্য। গত ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমি দীর্ঘ ১৬ বছর বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। এবং আমার পরিবারের ৬ জন আজীবন দাতা সদস্য রয়েছে। এই বিদ্যালয়ের জন্য আমাদের পরিবারের অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতার পালা বদলে সাবেক এমপি হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর আমল থেকে এ বিদ্যালয়ে নিয়ম বহির্ভূত পকেট কমিটি করে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পার্থ সারথীর যোগসাজশে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে। কম্পিউটার ল্যাব, শহীদ মিনার নাম ফলক নিয়ে করা হয়েছে বিভিন্ন কারসাজি। পরিশেষে তিনি বিদ্যালয়ের আয় ব্যয় নিয়ে অডিট এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে অনুরোধ জানান।

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থ সারথী সাহা বলেন। জায়গার বিষয় যথাযথ কমিটির মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে, তার বিপরীতে চুক্তিনামা রয়েছে। জমিদাতাগণের মধ্যে কয়েকজন দেশের বাইরে থাকাতে রেজিষ্ট্রি নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মামুন বলেন আজীবন দাতা সদস্যদের অনুদান ও জমিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যে আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন ডকুমেন্টস সংগ্রহ করি। তদন্তে সাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলাউদ্দীন ভূঞা জনী বলেন অভিযোগ পেয়ে আমি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের জন্য প্রেরন করি। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসলে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানা যাবে।

Loading