ফিরিয়ে আনার ভালবাসার ঋণ কৃতজ্ঞতায় থাকুক চির অমলিন..

প্রকাশিত: ২:৪৩ অপরাহ্ণ , জুলাই ৫, ২০২০

অনিন্দ্য টিটো

একটা সময়ে এসে ঘন্টা বাজায় শরীর। জীবনকে জানান দেয়, কতটুকু পথ চলা হল! তখন, থমকে দাঁড়ায় সময়। স্থির হয়ে যেতে চায় জীবনের পেন্ডুলাম। বুকের ভেতরে। ঠিক মধ্যিখানে। ঘন্টার সেই শব্দে যেন এক ভয়ঙ্কর জানান দেয়া। যেন বলে ওঠে —

আহা জীবন!
স্বপ্ন দেখ রঙিন কতশত
বসে মৃত্যু-ছায়ায়।
… … …
আহা! তবুও জীবন চলে
হাঁটে, বেঁচে খাকার রঙিন স্বপ্নে
মাথায় নিয়ে মৃত্যু-ছায়া…

মৃত্যুর কাছে হারতে হারতে জিতে যাওয়াটাই জীবন। বিদায় নিতে নিতে ফিরে আসাটাই যেন স্বপ্ন। ঠিক তেমনি করে আমিও ফিরলাম। গত ১৬ জুন। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে ভর্তি হতে হয়েছিল রয়েল হাসপাতালের সিসিইউতে। তারপর… কিছু উৎকণ্ঠা, কিছু অনিশ্চয়তা।
এখন অনেকটাই সুস্থ। অফিস করছি। সর্বশক্তিমানের করুণা আর আপনাদের অকৃত্রিম ভালবাসায় এই ফিরে আসা। এই ফিরে আসাটা যেন প্রয়োজন ছিল, পরখ করে নিতে অকৃত্রিম ভালবাসার। চিনে নিতে পথের সাথীদের।
কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ রউফ এবং রয়েল হাসপাতালের সিসিইউতে কর্তব্যরত ডাক্তারসহ স্বাস্থকর্মিদের প্রতি। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ, সহকর্মি, দেশ-বিদেশে থাকা বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাক্ষীদের প্রতি, যাঁরা অসুস্থ সময়ে নানাভাবে খোঁজ-খবর নিয়েছেন। আমার পরিবারের পাশে থেকেছেন। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, চেয়ারম্যান স্যারসহ গাজী গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান, ইডি, জিটিভি’র সম্পাদক, প্রধান বার্তা সম্পাদকসহ আমার অফিসের সহযোদ্ধাদের প্রতি। কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আমার সাবেক সম্পাদকদের প্রতি, যাঁদের ভালোবাসায় এখনও আমি ঋদ্ধ হই। সতত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি তাঁদের প্রতি যাঁরা মসজিদ-মন্দির-প্যাগোডায় মানত করে, প্রার্থনা করে, নফল নামাজ পড়ে, রোজা রেখে, সদকা দিয়ে আমার সুস্থতা কামনা করেছেন। আপনাদের প্রতি আমার সতত কুর্ণিশ। এই ঋণ শোধ করার মত নয়। আমিও চাই না এই ঋণ শোধ হোক। এভাবেই আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসায় ঋণী থাকতে চাই আজীবন…