আজাব, গজব, মহামারী মুক্ত প্রেমময় পৃথিবী চাই

প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ণ , মে ২৫, ২০২০

কাজী হমাযুন কবির ::
: আজাব, গজব, মহামারী মুক্ত সুন্দর ও মানবতাময়, আরামদায়ক, প্রেমময় পৃথিবী চাই।
কিন্তু সুদ, ঘুষ, দূর্ণীতি, জুলুমবাজী, চুরি, ডাকাতি, শোষণ, পন্য ভেজাল করা, নকল করা, গোদামজাত করা, ওজনে কম দেয়া, জিনা, ব্যাভিচার, অশ্লীলতা, মিথ্যা, গীবত, সমকামিতা, ধোকাবাজী, ঠকানো, প্রতারনা, অহংকার, লোভ, হিংসা, দুশমনি, দলাদলি, চাপাবাজী, তোষামোদী, মারামারি, খুন, ধর্ষণ, চোরাকারবারি, মাদকসেবন, যৌতুক, দুর্বলেরে নির্যাতন কোনটাই ছাড়বনা। অথচ আমরা অধিকাংশ মানুষ জানি পৃথিবী থাকার জায়গা নয়, পরীক্ষার হল।
এরপরও জঞ্জাল জ্ঞানের অহংকারে আল্লাহকে নিয়েও শত বিরুপ মন্তব্য করে ধৃষ্টতা দেখাই অনেকে। আবার অনেকে পৃথিবীতে পাণ্ডিত্য অর্জন ও প্রদর্শনে কত শত বই পড়েন, শুধু স্রষ্ট্রার দেয়া পবিত্র কোরআন পড়তে চাননা বা অনেকে বুঝে পড়েন না। আবার অনেকে বিশ্বাস করলেও সময় দিতে চাননা। অনেকজন আছে স্রষ্ট্রার দেয়া কোরআন কিনা সন্দেহ করে, অথবা অনেকে কোরান পড়লে মৌলবাদী বা পুরানপন্হী হয়ে যাবার ভয় পান । অনেকজন আছেন জ্ঞানময় জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় হাদীসের কিতাবগুলো পড়েননা। অলসতা করেন। অনেকজন সন্দেহ করে হাদীসের বই পড়তে চাননা। তারা মনে করেন, হাদীসের বইগুলো পড়লে মুহাম্মদ সাঃকে নবী ও রাসুল হিসাবে মানতে হয়। বিশ্বাস করতে হয় এবং সে অনুযায়ী আমল করতে হবে।
অবশেষে বলবো, স্রষ্ট্রার পৃথিবীতে স্রষ্ট্রার অপছন্দনীয় অসংখ্য হীন কাজ করেও স্রস্টার কাছ থেকে দুনিয়াটা আরামদায়ক ও বেহেস্তের মতো চাই। তা কতটা যুক্তিযুক্ত? কোরআনে বুঝলাম, স্রস্টা বান্দাহর ইচ্ছাশক্তিকে পৃথিবীর ক্ষণ সময়ে অবকাশ দেন, ছেড়ে দেননা।