প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১

গত ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ দৈনিক আমার সময় একটি অনলাইন পত্রিকায় দেখলাম ভাটি বাংলা হাই স্কুলে দশম শ্রেণীর ৩ জন ছাত্র কে মারধর করে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া নিয়ে যে সংবাদ টি ছাপা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

যে তিনটি ছেলেকে প্রতিপক্ষ কাদিরের শালার সাথে ঝগড়া রত অবস্থায় কাদির মিয়া গিয়ে শাসন সূলভ দুইটা চর মেরেছে ঐ ছেলে গুলো বখাঠে, মেয়েদের কে উত্তপ্ত করা থেকে শুরু করে সমস্ত ফাইজলামি, ঝগড়াঝাটি সহ স্কুলের আঙ্গিনা জুড়ে অশান্তি সৃষ্টি করা হলো তাদের নিত্যদিনের কাজ ।তাদের মধ্যে একজন মোঃশ্রাবণ মিয়া পিতা মোঃ হেলাল মিয়া গ্ৰাম মান্দারবাড়ী। শ্রাবনের বিরুদ্ধে বিগত দিনে স্কুল থেকে (TC দিয়ে) বহিস্কার করে দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হলে এইকাদির মিয়া তাকে বনসই দিয়ে পুনরায় পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে।

শ্রাবনের নামে একাধিক মামলাও আদালতে বিচারাধীন আছে। আর যে শাসন করেছিল?- সেই বেচারা আব্দুল কাদির ভাটি বাংলা হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য। একজন ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্য পদ নূনতম কোন যোগ্যতা অর্জন না করে সে সদস্য হয় না। যদি বখাটে যুবক ছেলের শাসন না করতে পারে তাহলে অপরাধ সমাজে প্রায়শই ঘটবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

আর ঐ তিনজনের হামলার শিকার অপর ২য় পক্ষের ছেলেটি অত্যন্ত ভালো একটি ছেলে আকিকুল আহমেদ। সে এই স্কুলের একজন ভালো ছেলে, ভালো ছাত্র। তার আব্বা মৃত মহসিন মিয়া। উল্লেখ করা যায় যে -এই ভাটি বাংলা হাই স্কুলের প্রতিষ্টা কাল থেকে প্রায় ১৭ বছর ধরে এই স্কুলের সার্বিক সহযোগিতায় যিনি সবার উপরে অকৃপন ভাবে স্কুলের জন্য দান করেছেন সেই আমেরিকা প্রবাসী শিক্ষক মোঃ আব্দুল খালেক স্যারের আপন ভাইস্তা। আর আব্দুল কাদির হলো খালেক স্যারের আপন ডাগিনা।

একজন স্কুল প্রতিষ্টাতা ডুনারের সন্তান সাধারন ছাত্রের কাছে মুল্যহীন হলে, স্কুল পরিচালনা কমিটির কাছে, শিক্ষকদের কাছে মূল্যহীন হলে, একজন মানুষ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হয়ে ও যদি অপরাধ করলে শাসন করতে গেলে মাদক সেবী হিসেবে তাঁর নাম অপপ্রচার হয়? তাহলে এই সমাজ থেকে, জাতি ভালো কি আশা করবে?একজন শিক্ষক, শিক্ষানূরাগী, স্কুল প্রতিষ্টান তৈরী করে দিয়ে যে অকাতরে দান করে ছিলো, তাঁরো ও একটা স্বপ্ন ছিল- আমার এলাকার ছেলে মেয়ে মানুষ হবে, কেউ তাকে সমীহ দেখানোর জন্য উনি এই স্কুল বিনির্মাণ করেছিলেন না। তিনি চেয়েছিলেন, আমার অবহেলিত এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাবে ।

আর আজ কত টুকু অকৃতজ্ঞ হলে সেই পরিবারের ছেলে স্কুলে গিয়ে বখাটের হাতে মার খায়, আর সেই পরিবারের সদস্য, কমিটির সদস্য পদ থাকা অবস্থায় (কাদির মিয়া) দশম শ্রেণীর ছাত্র শ্রাবনকে শাসন করার প্রলশ্রুতিতে আজকে কাদিরের নাম আসে অপরাধী হিসাবে। সমাজের বিবেকবান মানুষ দের কাছে আমার প্রশ্ন -সত্য আর কত ঢেকে যাবে মিথ্যার অশুভ ছায়ায়?যে শ্রাবন দশম শ্রেণীর ছাত্র হয়েও একাধিক মামলার আসামী হয় ,তাকে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আঃ কাদির দুটি চর দিয়ে ঝগড়া অবস্থায় শাসন করলে কোন মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়না। তাই আমি এই সংবাদ টুকুর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদে উল্লেখ আছে যে ,সামাজিক ভাবে বিষয় টা শেষ হয়েছে। এটা জেনেও ঐ পত্রিকার সংবাদ কর্মী তুচ্ছ এই সংবাদ টুকু পাঠকের হৃদয়ে সন্দেহের বিষ বৃক্ষ রূপন করে এতে কোন সন্দেহ নেই।

আর এটা কোন কুটকৌশলে ,আঃ কাদিরের মতো ক্লিন ইমেজের একটা ছেলের উপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া টা একদিকে যেমন অকৃতজ্ঞ, অসেচতনতা, উস্কানি মূলক, রাজনৈতিক জেলাসী হিসেবে আক্কায়িত হয়েছে অন্য দিকে কিশোর অপরাধ কে স্বীকৃতি সরুপ উস্কানি দেওয়া হয়েছে বলে সুশীল সমাজের দাবী।সমাজের বিবেকের কাছে আজ এই হলো প্রত্যাশা -সত্য ন্যায়ের ভিত্তিতে চিন্তা চেতনা হোক, ষড়যন্ত্র নিপাত যাক, মানবতা মুক্তি পাক।

মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হোক। জয় হোক মানবতার।

Loading