একটি পর্যালোচনা

দ্বীপের কথা

প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ , মে ২৭, ২০২১
প্রিন্সিপাল মুকতাদের আজাদ খান
.
২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ এপ্রিল মুহাম্মদ জাফর ইসলাম একটি লেখা দেওয়ার জন্য অনলাইনে নক করেন। আমি ব্যস্ত থাকায় যথাসময়ে সাড়া দিতে পারিনি। ১৯ জুন ২০১৯ তিনি অনলাইনে জানান এখনো এক সপ্তাহ সময় আছে। উনাকে কথা দিলাম ২১ তারিখের মধ্যে লেখা মেইল করে দিবো। তাই করেছি।
মুহাম্মদ জাফর ইসলামের সাথে এর পূর্বে কখনো কথা এবং দেখা হয়নি। আমার লেখাটি যত্নসহকারে প্রকাশ করার জন্য উনাকে ধন্যবাদ। মুহাম্মদ জাফর ইসলাম সন্দ্বীপ সোসাইটি ইউ.এস.এ’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের ১ নং সদস্য।
পর্যালোচনা বিশাল কাজ। এমন কাজ আমার প্রথম। আমার দৃঢ় বিশ্বাস সাহস, ত্যাগ এবং প্রত্যয় থাকলে কঠিনকেও অর্জন সম্ভব।
ম্যাগাজিনের নামকরণ ও প্রচ্ছদ ভালই হয়েছে। প্রচ্ছদে সন্দ্বীপের মনোরম নদীর পাড়, একসময়কার যাতায়াত মাধ্যম জাহাজভর্তি মানুষ, যুক্তরাষ্ট্রে অত্র সংগঠনের ‘সন্দ্বীপ ভবন’ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যাচু অভ লিভার্টি”র সমন্বয়ে সন্দ্বীপ থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবধি সন্দ্বীপিয়ানদের সরব পদচারণার দিকটি ভালোই ফুটে উঠেছে।
নামকরণের জন্য মোঃ আবেদ উল্লাহ ও প্রচ্ছদের জন্য আদর গ্রাফিক্সকে ধন্যবাদ।
কভার পৃষ্ঠা উল্টালেই সংগঠনের পূর্ববর্তী প্রকাশনা সমূহের প্রচ্ছদ ছবির দেখা মিলে। চিন্তা অবশ্যই ভাল। তাদের পূর্ববর্তী প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে-দিলালের সন্দ্বীপ, বসতভিটা, প্রবাসে সন্দ্বীপ, ভালোবাসার সবুজ দ্বীপ সন্দ্বীপ এবং দ্বীপালো।
সংগঠনের নীতি নির্ধারক বডির কাছে অনুরোধ প্রকাশনা সবসময় একই নামে করা যায় কিনা চিন্তা করে দেখবেন। যেমন- দ্বীপালো-১, দ্বীপালো-২, দ্বীপালো-৩ ইত্যাদি।
১ম পৃষ্ঠায় প্রকাশ পেয়েছে দ্বীপের কথা প্রকাশনার উপলক্ষ, সম্পাদক সহযোগী-সম্পাদকের নাম, প্রকাশনা উপ-কমিটির নাম, সার্বিক সহযোগীতা
কারীগণের নাম, নামকরণকারীর নাম, সার্বিক তত্ত্বাবধানে দু’জনের নাম, ছবি সংগ্রহকারীদ্বয়ের নাম, প্রকাশকালের তারিখ, প্রচ্ছদ, অঙ্গসজ্জা ও মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম।
২য় পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে-দ্বীপের কথা সম্পাদক মোঃ আবেদ উল্লাহ’র সম্পাদকীয়। সম্পাদকীয়তে তিনি বলেন ‘আমরা সন্দ্বীপের প্রতিষ্ঠিত লেখকদের সন্দ্বীপবাসীদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি’। ধন্যবাদ, লেখকদের সম্মানিত করার জন্য। অন্য এক প্যারায় তিনি লিখেছেন, অপ্রত্যাশিত ভুলভ্রান্তি থাকা স্বাভাবিক। তিনি সঠিক বলেছেন, প্রকাশনা ভুলত্রুটি মুক্তরাখা বড়ই কঠিন কাজ। তারপরও অবিরত চেষ্টা থাকা উচিত ভুলত্রুটি মুক্ত রাখার।
সভাপতি আব্দুল হান্নান পান্না বাণীতে বলেন ‘পরবর্তী প্রজন্মের উজ্জল ভবিষ্যতের আলোকরেখা আমাদের জয়ের পরিচায়ক’। স্যালুট আপনাকে, প্রতিনিয়ত সংগ্রামরত থাকার পরও যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু ভালো কাজ করার তাগিদে সংগ্রামে অবিচল থেকেছেন।
৪র্থ পৃষ্ঠায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যে সকল সদস্য তাদের পরিশ্রমের মাধ্যমে সোসাইটিকে সম্প্রসারণ করেছেন তাদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন’।
৫ম পৃষ্ঠায় সংগঠনের ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান হাজী মাহফুজুল মাওলা নান্নু বলেন ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের অতৃপ্তি নিজস্ব একটি ভবন যা বাস্তবায়ন করে অ্যামেরিকার বুকে ‘সন্দ্বীপ ভবন’ প্রতিষ্ঠা করেছি’।
নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় অর্জন এবং প্রশংসার দাবিদার। প্রসঙ্গত, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর মুছাপুর জুনিয়র অসংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ‘সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ’ মেধাবৃত্তি-২০১৭ প্রদান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আমি বলেছিলাম ‘সেদিন বেশী দূরে নয় যেদিন সন্দ্বীপের মেধাবী সন্তানদের কেউ একজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিডেন্টও হতে পারে।’ সন্দ্বীপ ভবন যেন বিজয়ের প্রথম ধাপ। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সন্দ্বীপ এডুকেশন সোসাইটি যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি মোঃ ইকবাল হায়দার।
৬ষ্ঠ পৃষ্ঠায় সংগঠনের সাবেক সভাপতি হাজী মোঃ বাবর উদ্দিন, হাজী মোদাচ্ছের মিয়া এবং হাজী আব্দুল অদুদ মহোদয়দের বাণী প্রকাশিত হয়েছে।
৭ম পৃষ্ঠায় সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল মাওলা, ফিরোজ আহমেদ এবং এমলাক হোসেন ফয়সাল সাহেবের বাণী প্রকাশিত হয়েছে।
৮ম এবং ৯ম পৃষ্ঠাজুড়ে সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১৮-২০১৯-এর কর্মকর্তাগণের ছবিযুক্ত পদবী প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত তথ্যমতে কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিধি-৩৫ জন।
১০ম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সংগঠনের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ।
জুলাই ২০১৭-জুন ২০২২ এর কর্মকর্তাগণের ছবিযুক্ত পদবী।
১১তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ ২০১৮-২০১৯ এর নাম, ইউনিয়ন এবং ফোন নম্বর।
১২তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আমজাদ হোসেনের বার্ষিক রিপোর্ট।
১৩তম পৃষ্ঠা থেকে ২৩তম পৃষ্ঠা পর্যন্ত সংগঠনের আজীবন সদস্যগণের নাম, জন্মস্থান এবং ফোন নম্বর প্রকাশিত হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সংগঠনের আজীবন সদস্য সংখ্যা ২২০ জন।
২৪তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সংগঠনের ৬ টি বিজ্ঞাপন।
২৫তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সন্দ্বীপ থেকে নির্বাচিত সাবেক ও বর্তমান এম.এল.এ, এম.এন.এ এবং এম.পি মহোদয়দের ছবিযুক্ত নাম ও সাল।
২৬তম পৃষ্ঠা থেকে ৩০তম পৃষ্ঠা পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে দেশের খ্যাতিমান লেখক-চিকিৎসক মোহিত কামাল মহোদয়ের ‘চারপাশ যখন ভাঙতে থাকে’ শিরোনামে একটি লেখা। এ লেখায় লেখক সন্দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থার করুণচিত্র ও ভাঙ্গনের আর্তনাদ তুলে ধরার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জোড়ালো দাবি তুলেছেন।
৩১তম ও ৩২তম পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত হয়েছে গল্পকার আলমগীর সারওয়ারের ‘স্বস্তি ও দীর্ঘশ্বাস’ শিরোনামে একটি লিখা। এ গল্পে গল্পকার একজন কর্মীবান্ধব উদ্যোক্তা-রাশেদ সাহেব কর্মীদের বেতন পরিশোধ করে যেমন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন অপরদিকে তাদের বেতন পরিশোধ করে নিজ পরিবারের জন্য ঈদের বাজার করতে না পেরে দীর্ঘশ্বাসও ফেলছেন। বার্তাবাহী হওয়ায় গল্পটিকে স্বার্থক গল্প বলা যায়।
৩৩ ও ৩৪তম পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘সন্দ্বীসমগ্র: সন্দ্বীপ পিডিয়া’র সংকলক ও সম্পাদক প্রফেসর ড. হাসান মোহাম্মদ স্যারের ‘সন্দ্বীপ সমাজ’ শিরোনামে লেখা। এখানে স্যার সন্দ্বীপের ইতিহাস-ঐতিহ্য তথ্য-উপাত্তের আলোকে আবহমানকাল থেকে মুসলিম-হিন্দুর সৌহার্দপূর্ণ বসবাসের চিত্র, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কৃষ্টি-সংস্কৃতির চর্চায় অভ্যস্ত, যেখানেই থাকুক নিজ প্রয়োজনে গড়ে তুলছেন সন্দ্বীপ সমাজ ইত্যাদি বিষয়গুলো চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।
৩৫ ও ৩৬তম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে মনওয়ার সাগরের ‘হুমায়ুনহীন একটা জ্যোৎস্নারাত’ শিরোনামে লেখা। এখানে লেখক খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদের সাথে তাঁর কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন।
৩৭ ও ৩৮তম পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত হয়েছে আমার লেখা। এ লেখায় আমি সন্দ্বীপ উপজেলায় ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে মাধ্যমিক পর্যায়ে ফলাফল বিপর্যয়ের যে ৭টি কারণ উলে­খ করেছি তার মধ্যে অন্যতম হলো-সন্তানের উপর অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ না থাকা, শিক্ষার্থীদের এনড্রোয়েড ফোন আসক্তি, রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিচালনা পরিষদ ও প্রধান শিক্ষণ নিয়োগ, ছাত্র রাজনীতি (ছাত্র রাজনীতিতে কথিত বড় ভাইদের প্রভাব), অপ্রয়োজনে শিক্ষকগণের চাটুকারিতা ইত্যাদি।
এ প্রবন্ধে আমি সন্দ্বীপের যে ১৪ টি প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে কোনো শিক্ষার্থী জি.পি.এ-৫ পাইনি তাদের তালিকাও দিয়েছি।
৩৯ ও ৪০তম পৃষ্ঠাজুড়ে প্রকাশিত হয়েছে দ্বীপকথা ম্যাগাজিনের সহযোগী সম্পাদক মুহাম্মদ জাফর ইসলামের ‘সন্দ্বীপের সমস্যা : মানুষ্য সৃষ্ট ও প্রাকৃতিক এবং এর সম্ভাব্য প্রতিকার’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ। এ প্রবন্ধে তিনি যাতায়াতের উন্নয়নে জেলা পরিষদকে দায়িত্বশীল হওয়া, সাইক্লোন শেল্টার ব্যবহার উপযোগী করা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, মানুষ্য সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে মানুষকে দায়িত্বশীল হওয়া সর্বোপরি সমস্যার সমাধানে জনগনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
৪১তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সাংবাদিক সোহেল মাহমুদের ‘এলো মেলো ভাবনা’ শিরোনামের একটি লেখা। এ লেখায় তিনি একটি সমন্বিত তথ্য ভান্ডারের দাবির পাশাপাশি সুখী মানুষ ও একজন দুঃখী মানুষের করুন চিত্র তুলে ধরেই ক্ষান্ত হননি বরং তুলে এনেছেন আরও নানান অসঙ্গতি।
৪২তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে অ্যাডভোকেট আরিফ আর চৌধুরী’র ‘সম্ভাবনার দ্বীপের নাম সন্দ্বীপ’ শিরোনামে একটি লেখা। এ লেখায় তিনি সন্দ্বীপকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা, জাহাজ তৈরির কারখানা স্থাপন, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মান প্রভৃতি প্রকল্প বাস্তবায়নে সন্দ্বীপের সোনার সন্তানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
৪৩ ও ৪৪তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে মোঃ ছানাউল্লাহ বাবুলের ‘আমাদের সন্দ্বীপ সোসাইটি উত্তর আমেরিকা’ শিরোনামে একটি লেখা। এ লেখায় তিনি সন্দ্বীপ সোসাইটি উত্তর অ্যামেরিকার গুন কীর্তনে মগ্ন ছিলেন।
৪৪তম পৃষ্ঠায় রয়েছে সালমা সাহলির ‘তুলনা’ শিরোনামে একটি কবিতা।
৪৫তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে ড. মুহাম্মদ আবুল কাসেমের ‘স্মৃতি’ শিরোনামে একটি কবিতা।
৪৬তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে শাহীন মাহমুদের ‘কফিন ভর্তি ঘুম, দুর্বৃত্তের মেন্টরশিপ, টাইজিন-১০ ও একটি তৃষিত চুম্বন’ শিরোনামে ৩টি কবিতা।
৪৭তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে কাসেম আলী রানার ‘নদী উপাখ্যান ও আত্নকথন’ শিরোনামে ২টি কবিতা।
৪৮তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে আলহাজ আবুল বাসার ভুঁঞা সন্দ্বীপির ‘আমি নুসরাত..বিচার চাই ঘাতকদের… শিরোনামে একটি কবিতা।
৪৯তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সন্দ্বীপ সম্পর্কীত ৬টি বিশেষ ছবি।
৫০ থেকে ৫৭তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে সমিতির নানাবিধ কার্যক্রম সম্পর্কিত ছবি।
৫৮তম পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে ইউ.এস. ফেডারেল গর্ভমেন্টের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট।
৫৯ ও ৬০ পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে গাছুয়া প্রবাসী দান তহবিল সংস্থা নিউ ইয়র্ক, মাইটভাঙ্গা এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক্, মুছাপুর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কল্যাণ সমিতি, বাউরিয়া জনকল্যাণ সমিতি নিউ ইয়র্ক, প্রবাসী রহমতপুর জনকল্যাণ সমিতি, প্রবাসী হরিশপুর জনকল্যাণ সমিতি, কালাপানিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতি ইউএসএ, হারামিয়া জনকল্যাণ তহবিল সংস্থা ও মগধরা জনকল্যাণ সমিতি প্রভৃতি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদ্বয়ের ছবি ও ফোন নম্বর।
ব্যাক ইনার কভার পাতায় প্রকাশিত হয়েছে সমিতির এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় অর্জন ‘সন্দ্বীপ ভবন’ এর ছবি।
শেষ কভার পাতায় রয়েছে ‘সন্দ্বীপ ভবন ডোনার ট্রি’। যা সন্দ্বীপ এর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরতদের একতাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
প্লিজ, লেখাটি চুরি করা থেকে বিরত থাকুন।
.
লেখক-প্রিন্সিপাল,তাহের-মনজুর কলেজ,সীতাকুণ্ড,চট্টগ্রাম।