মেঘনায় দুই স্পিডবোটের সংঘর্ষে হতাহত ৫, নিখোঁজ ১

প্রকাশিত: ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ , এপ্রিল ১৩, ২০২১

নরসিংদীর মেঘনা নদীতে দুই স্পিডবোটের মুখোমুখী সংঘর্ষে একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্পিডবোটে থাকা আরও চার আরোহী আহতের পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছে দেড় বছর বয়সী এক শিশু। সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুরের শাখা মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম হানিফ মিয়া (৬০)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার পাহাড়ীয়াকান্দি এলাকার মৃত সুরোজ মৌলভীর ছেলে ও বিআরডিবির অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।

আহতরা হলেন- নিহত হানিফ মিয়ার মিয়ার ছেলের বউ সানজিদা আক্তার (২৭), অপর ছেলের বউ ইমা (২৪), ভাতিজা দুলাল মিয়া (৩০) এবং বেয়াই মোসেন মিয়া (৩২)। হতাহতরা সকলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর পাহাড়ীয়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় স্পিডবোটের অপর যত্রী নাহিদ মিয়া নামে দেড় বছরের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ নাহিদ মিয়া শহরের বানিয়াছল এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। সে অপর স্পিডবোটের যাত্রী ছিল।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, বিকেলে নরসিংদীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে ডাক্তার দেখিয়ে স্পিডবোটে করে বাঞ্চারামপুরে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ও শ্রীনগরের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা স্পিডবোটের সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী সদর ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। পরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়ার পর হানিফ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এছাড়া অপর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নরসিংদীর করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে। তবে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন।