নুসরাত জাহান রাফি হত্যা দিবসের দুই বছর

প্রকাশিত: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ , এপ্রিল ৬, ২০২১

আজ ৬ এপ্রিল । সেই ভয়াল দিন। ২০১৯ সালের এই দিনে অগ্নিদগ্ধ করে মারা হয়েছিল ফেনী সোনাগাজীর ফাজিল মাদ্রাসার নুসরাত জাহান রাফি কে। তার ই শিক্ষকের নির্দেশে ১৬ জনের পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে মাদ্রাসার ছাদে। দেশ বিদেশে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডে বিপুল সমালোচনা বয়ে যায়। হতবাক হয়ে পড়ে দেশের আনাচে কানাচে সহ পুরো বিশ্ব।
নুসরাত এমন এক নাম যে তার ইজ্জতের সন্মানের অমর্যাদার প্রতিবাদ করায় অকালে প্রাণ দেয় তার ই সহপাঠীদের সহযোগিতায়। এই হত্যাকাণ্ডে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেয় ১৬ জন।

চারদিন মৃত্যুর সাথে অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে লড়াই করে অবশেষে ১০ এপ্রিল নুসরাত চলে যায় পরপারে। কিন্তু পুরো দেশের মানুষের কাছে তার উপর অন্যায় অত্যাচার ও তার থানার পুলিশের ভূমিকা প্রকাশ করে যায়। তৎপর হয়ে উঠে সরকার সহ মিডিয়া ও নানাশ্রেনীর পেশাজীবী মানুষ। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন।
এই ভয়াবহ জীবন্ত আগুনে দগ্ধ রাফির মামলার তদন্ত ভার পড়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভ্যাষ্টিগেশনের উপর। টানা পাঁচ মাসের তদন্তে বেরিয়ে আসে একে একে নুসরাতের মৃত্যুর আগে দেয়া সব তথ্যের সত্যতা। অপরাধী রা ধরা পড়ে। আদালতে দফায় দফায় জেরায় তারা তাদের সংশ্লিষ্টতার জবানবন্দি দেয়।
সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ দেন।
প্রশাসনের উদ্যোগে নুসরাতের বাড়িতে আজো পুলিশ পাহারায় রয়েছে। তার মা জানান মেয়ের খুনের বিচারের আশায় আছি । দেশেও ভাইরাস আসছে ‌। শান্তি পাই না মেয়ের কথা মনে আসলে। যতদিন বাঁচবো আমার মেয়েকে ভুলতে পারব না।