কোভ্যাক্স থেকে সোয়া কোটি ডোজ পাবে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২১

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গড়া টিকা বিতরণ প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স, এই প্ল্যাটফর্ম থেকে চলতি বছরের প্রথমার্ধে করোনা টিকার সোয়া কোটি ডোজ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কোভ্যাক্স বিভিন্ন দেশে টিকা বণ্টনের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় জুনের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ কোভিড-১৯ টিকার ১ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ পেতে যাচ্ছে।

এই টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত টিকা বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নেতৃত্বাধীন এই প্ল্যাটফর্ম। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যেসব টিকা ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে তুলনামূলকভাবে অক্সফোর্ডের টিকাই বাংলাদেশে সংরক্ষণ সহজ।

যদিও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন এখনও দেয়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে তাদের মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এই টিকা।

বছরের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার ১২ লাখ ডোজ পাওয়ার আশা করছে কোভ্যাক্স। বাংলাদেশও ফাইজারের টিকা পেতে ইচ্ছুক বলে এই প্ল্যাটফর্মকে জানিয়েছিল। তবে প্রথম দফায় ফাইজার যে পরিমাণ টিকা দেবে, সেখান থেকে বাংলাদেশের পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে না কোভ্যাক্স। অন্যদের মধ্যে ভুটান ও মালদ্বীপ প্রথম ধাপেই ফাইজারের টিকা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফাইজারের টিকাটি মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার নিচে সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে কোভ্যাক্স।

কোভ্যাক্সের আওতায় সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে যেসব টিকা আসার কথা সেগুলোর মধ্যে ৩৫-৪০ শতাংশ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক এবং ৬০-৬৫ শতাংশ দ্বিতীয় প্রান্তিকে পাওয়া যাবে।

কোভ্যাক্স চলতি বছরের প্রথমার্ধে অন্তত ৩৩ কোটি ডোজ টিকা বিতরণ করতে চায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, টিকা বণ্টনের অন্তর্বর্তীকালীন যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেই টিকা দিয়ে ১৪৫টি দেশের মোট জনসংখ্যার গড়ে ৩.৩ শতাংশকে টিকা দেওয়া হবে।

এদিকে ইউনিসেফের প্রধান হেনরিয়েটা ফোর বলেছেন, নতুন একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনাভাইরাস টিকার ১১০ কোটি ডোজ কোভ্যাক্সকে দেবে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য প্রতি ডোজ ৩ ডলার করে কয়েক বছর ধরে এই টিকা দেবে তারা।