স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ , ডিসেম্বর ২০, ২০২০

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (২০ ডিসেম্বর)। ২০১৯ সালের এইদিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

প্রতিষ্ঠাতার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বড় পরিসরে কোনো আয়োজনে যাচ্ছে না ব্র্যাক। স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবন চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে অনলাইনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ব্র্যাকের সকল কর্মী স্মৃতিচারণের পাশাপাশি তাঁর চিরন্তন অনুপ্রেরণার কথা স্মরণ করছেন ও দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে সমতাপূর্ণ পৃথিবী গড়তে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ৩৬ বছর বয়সে, ১৯৭২ সালে তদানীন্তন সিলেট জেলায় একটি ক্ষুদ্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। গত ৪৭ বছরে বহুবিস্তৃত কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম কার্যকরী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। মাইক্রোফাইন্যান্স, সামাজিক ব্যবসা, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামাত্রিক বিনিয়োগ সমন্বয়ে ব্র্যাক আজ বিশ্বের বুকে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি এশিয়া ও আফ্রিকার ১২টি দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে।

স্যার ফজলে হাসান আবেদ মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ১৯৭২ সালে সিলেট জেলায় একটি ক্ষুদ্র ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন।

গত ৪৭ বছরে বহুবিস্তৃত কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক বিশ্বের অন্যতম কার্যকরী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে। মাইক্রোফাইন্যান্স, সামাজিক ব্যবসা, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে নানামাত্রিক বিনিয়োগ সমন্বয়ে ব্র্যাক আজ বিশ্বের বুকে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান।

২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর জেনেভাভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সংস্থা ‘এনজিও অ্যাডভাইজর’ কর্তৃক ব্র্যাক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এনজিও হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সংস্থাটি এশিয়া ও আফ্রিকার ১২ দেশের ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবন-মান উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছে।

ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭ এপ্রিল তদানীন্তন সিলেটের হবিগঞ্জ মহকুমার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লন্ডনে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে পড়ালেখা করেন। ১৯৬২ সালে কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হন।

পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানিতে সিনিয়র করপোরেট এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ তার জীবনের মোড় সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি চাকরি ছেড়ে লন্ডনে চলে যান। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ এবং ‘হেলপ বাংলাদেশ’ নামে দুটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।