নকশা বদল হচ্ছে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের

প্রকাশিত: ২:০১ অপরাহ্ণ , ডিসেম্বর ১২, ২০২০

নকশা বদলাতে হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের। এতে প্রকল্প ব্যয় বাড়তে পারে তিনশ’ কোটি টাকা। বাড়বে বাস্তবায়নের সময়সীমাও। ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়কটি নগর কেন্দ্রের সঙ্গে বিমানবন্দর ও সমুদ্র সৈকতকে যুক্ত করবে। দুই প্রান্তের যাত্রীদের সময় বাঁচাবে অন্তত দেড় ঘন্টা।

নকশা বদলের কারণে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আট কিলোমিটার অংশে কাজ শুরু করতে পারেনি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। আগের নকশা অনুসরণ করা হলে বন্দরের পাঁচটি ফটক দিয়ে মালবাহী গাড়ি চলাচল ব্যাহত হতো। এ জন্য সড়কের পাশে জায়গা অধিগ্রহণ করে নকশায় বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, বন্দর ও সিডিএ প্রতিনিধিসহ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশক্রমে পাশে ৩০ থেকে ৩৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে ওখানে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

নিরাপত্তার কথা ভেবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নকশা নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলো। তারপরও নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। পরে আপত্তির গুরুত্ব বিবেচনায় নকশা বদলের উদ্যোগ নেয়া হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সদস্য মো. জাফর আলম বলেন, আসলে ডিজাইনটি যেরকম ছিল সেটি বন্দরের নিরাপত্তার জন্য হুমকি ছিল। এটি আন্তর্জাতিক বন্দর, যেখানে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ফলো করতে হয়। অন্যথায় আমাদের আমদানী-রফতানি সমস্যায় পড়বে। যে কথাটি এই প্রকল্পটি গ্রহণ করার সময় বলতে পারতাম, সেটি অনেক দেরিতে বলতে হলো।

নগরকেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর ও সমুদ্র সৈকতে পৌঁছতে এখন ঘণ্টা দুয়েক সময় লাগে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ওই দূরত্বে পৌঁছানো যাবে ১৫/২০ মিনিটে।## ETV