যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত

প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ৩০, ২০২০

যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে আজ শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবসই হচ্ছে বিশ্বের মুসলিম সম্পদ্রায়ের নিকট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।

এ উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে আজ জুম্মার নামাজের সময় দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে বয়ান এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। জুম্মার নামাজের রাজধানীর নানা জায়গায় জসনে-জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে খন্ড-খন্ড মিছিল বের হতে দেখা যায়।

এদিকে, দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পৃথক বাণীতে তাঁরা উভয়েই দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ’র প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। মূলতঃ আরবী সনের ১২ রবিউল আওয়াল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। আরবী মাসের হিসেব শুরু হয় সন্ধ্যা রাত থেকে।

এজন্য, ১২ রবিউল আওয়াল শুরু হওয়ার পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদ এবং বাসবাড়িতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে কোরআন খতম ও জিকির-আজগারের বিশেষ মোনাজাতে নিজ-নিজ পরিবারের সকল সদস্য এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের বিশেষ রহমত কামনা করেন।

এদিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে আজ শুক্রবার বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার এবং অন্যান্য স্যাটেলাইট টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে এবং করছে। অপরদিকে আজ ছিল সরকারি ছুটি। তবে, সাপ্তাহিক ছুটির কারণে সরকারি ছুটির গুরুত্ব বোঝা যায়নি।

এদিকে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি অনুযায়ি সকল অনুষ্ঠান করা হচ্ছে এবং হবে। বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে ইফার অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন করা হয়।

এছাড়াও, এ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলাসহ সরকারী-বেসরকারি সংস্থাগুলোও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনীর ওপর আলোচনা সভা ও মাহফিলসহ বিশেষ কর্মসূচি পালন করে।