বাক স্বাধীনতার বিষয়ে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য দূতাবাসের মন্তব্য চান সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশিত: ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ , মে ৩০, ২০২০

গত সোমবার একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ চলছিল যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিস। আর ওই বিক্ষোভের নিউজ লাইভ সম্প্রচারের সময়ই সিএনএন এর সাংবাদিক ওমর জিমেনেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে তিনি স্পষ্টভাবে নিজের পরিচয় দেন, তারপরও তাকে গ্রেপ্তার করে মিনিয়াপোলিসের পুলিশ। এমন ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এমন একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি লিখেন- US police arresting a CNN reporter live on TV while reporting. I would like a comment about freedom of speech from the US and UK embassies in Dhaka now!
তবে ঠিক দুদিন আগে ওই কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপর একটি স্ট্যাটাসে।
তিনি লিখেন- মার্কিন পুলিশ জোর করে প্রায় প্রতিদিন নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা করছে। এজন্য প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে ঠিক কতজন নাগরিক পুলিশের নির্যাতনে মারা যাচ্ছেন তার একটি হিসাব বার্ষিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসকে উপস্থাপন করা উচিত বলে মনে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

মূল ঘটনা
একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা রাজ্যের মিনিয়াপোলিস। গত সোমবার জর্জ ফ্লয়েড নামের ওই ব্যক্তির ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেন একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ। এরপর দমবন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনদিন ধরে মিনিয়াপোলিসে সহিংস বিক্ষোভ হচ্ছে।
আর ওই বিক্ষোভের নিউজ কভার করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে সিএনএনের টিম। লাইভ সম্প্রচারের সময়ই সিএনএন-র সাংবাদিক ওমর জিমেনেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি স্পষ্টভাবে পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে নিজের পরিচয় দেন, তারপরও তাকে গ্রেপ্তার করে মিনিয়াপোলিসের পুলিশ।
সিএনএনের সাংবাদিক ওমর ও তার টিম বিক্ষোভের স্থান থেকে ওই সময় লাইভ সম্প্রচার করছিলেন। ওমরক ছাড়াও তার সঙ্গে থাকা একজন প্রোডিউসার ও একজন ক্যামেরা অপারেটরকেও হাতকড়া পরায় পুলিশ। এসময় সিএনএনের ক্যামেরাকে পুলিশের জিম্মায় নেয়া হয়। কিন্তু সেটি তখনও চলছিল তাই সিএনএনের ক্রুদের হাতকড়া পরানোর দৃশ্য রেকর্ড হয়। তবে ক্যামেরা যে চলছে সে বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন ছিল না পুলিশ।
পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। আর এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে মিনেসোটার গভর্নর। মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ সিএনএনের বৈশ্বিক প্রেসিডেন্ট জেফ জুকারকে বলেছেন, যা ঘটেছে সেজন্য তিনি গভীরভাবে দুঃখিত এবং তাদের ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি দেখবেন। এর কিছুক্ষণ পরই সিএনএনের টিমকে ছেড়ে দেয়া হয়।