মা হারা ৭ সন্তানের দায়িদ্ব নিলেন উপজেলা প্রশাসন।

প্রকাশিত: ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ , মে ২৮, ২০২০

জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের বিত্তশালীদের সুদৃষ্টি না পরায় আল আমিনের পরিবারটি অর্ধহারে অনাহারে কোন রকম বেঁচে আছে। বড় মেয়ে অন্যের বাসায় কাজ করে। তাই মা শাহিদা বেগম ঈদ উপলক্ষ্যে মেয়ের কাছ থেকে টাকা আনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনাজনিত কারনে মৃত্যুপথের যাত্রী হয়েছেন।
সরকারী ত্রাণে ব্যাক্তি নির্বাচন এবং সুষম বন্টনের জন্য কোন কোন এলাকায় কর্মহীন মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। কেউ সরকারী বেসরকারি ভাবে ৭/ ৮ টি ত্রাণ পেয়েও অভিযোগ পাইনি, আবার কেউ কোন ত্রাণেই পাইনি বলে অভিযোগ। দুটিই কিন্তু অভিযোগ।
নান্দাইল উপজেলার নির্বাহী অফিসার আঃ রহিম সুজন সাহেব, লেখক ও কলামিস্ট সাইদুর রহমান, সাংবাদিক আবু হানিফ সরকার, তরুণ সমাজ সেবক ফরিদ মিয়া সহ অনেকেই বীর বেতাগৈরের জাহাঙ্গীরনগর গ্রামে গতকাল গিয়েছিলাম। মাতৃহারা ৭ সন্তানের খোঁজ খবর নিতে গিয়ে মানবতার বিপর্যয় দেখলাম। এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্বেও ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় স্হানীয় জনপ্রতিনিধিদের কোন ত্রাণ সহায়তা পায়নি পরিবারটি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিস্তারিত নিজে শুনেন, তারপর পরিবারটির জন্য দুই ব্যাগ খাদ্য সামগ্রী উপহারের সাথে নগন কিছু অর্থ প্রদান করেন। তিনি সরকারী ভাবে পরিবারটির জন্য একটি ঘর এবং অন্যান্য সুযোগ দিতে রাজি হন।