কপিলমুনি সড়ক সরলীকরণ, টাকা না দিয়েই উচ্ছেদ অভিযান মিলন দাশ মিলন দাশ পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: ২:০৫ অপরাহ্ণ , জুন ৯, ২০২৬ কপিলমুনিতে প্রধান সড়ক সরলীকরণের নামে প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন ও ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা না দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে|জানাযায়, খুলনার কপিলমুনি বাজারে অধিগ্রহণকৃত জমির স্থাপনার অর্থ পরিশোধ না করে তৃতীয় দফায় আবারো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ| কপিলমুনি বাজারে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে| রবিবার সকাল থেকেই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে কপিলমুনি জাফর আউলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন দোকানপাট ও মূল্যবান আসবাবপত্র সহ একাধিক বাড়িঘর| ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরিয়ে নিতে দেওয়া হয়নি আসবাবপত্র ও ইলেকট্রিক সরঞ্জাম|ভুক্তভোগী শেখ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, তাদের স্থাপনা সহ তিন শতক মত জায়গা যার বর্তমান বাজার মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকা| কিন্তু নিজেদের মতো করে ভ্যালুয়েশন কম দেখিয়ে পৌনে তিন কোটি টাকা করা হয়েছে যা এখনো পর্যন্ত আমাদেরকে দেওয়া হয়নি| বাবর আরো বলেন, চলমান উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্বদানকারী প্রকৌশলী তানিমুল ইসলামকে মূল্যবান আসবাবপত্র ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার সময় চাইলে সময় না দিয়ে তিনি চরম ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণ দেখিয়েছেন যা স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে| দ্বিতীয় দফায় অভিযানের সময় স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে ৬ মাস বন্ধ থাকার পর ফের অভিযান শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ|স্থানীয়দের দাবি, প্রাথমিক নকশা পরিবর্তন করে চলমান এই উচ্ছেদের কারণে ˆতরি হয়েছে আরও দুটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক|এতে হাসপাতাল ও মাদ্রাসার সামনের অংশ মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে | ঘটবে প্রানহানির মত ঘটনা| এর আগে ৬ ও ৭ ডিসে¤^র কপিলমুনির জাফর আউলিয়া সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলা ভবন ভেঙ্গে দেওয়া হলে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে পড়েন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তারা| এরপর বন্ধ হয়ে যায় উচ্ছেদ অভিযান| পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গণশুনানিও অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে স্থানীয়রা মূল নকশা অনুযায়ী সড়ক উন্নয়নের দাবি জানান| সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মূল নকশা বাস্তবায়নের কথা বলেছিলেন| তবে দীর্ঘ বিরতির পর পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকায় নতুন করে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে| শেয়ার সারা দেশবিষয়: