বেনাপোল পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার সহ সকলের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্টাফ রিপোর্ট স্টাফ রিপোর্ট যশোর প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ , জুন ৭, ২০২৬ বেনাপোল পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার সহ সকলের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বেনাপোল পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলন রবিবার ৭ জুন বিকাল ৫টার সময় স্থানীয় ৮ নং ওয়ার্ড ছোটআঁচড়া মোড়ে অবস্থিত বিএনপি অফিসে অনুষ্ঠিত হয় ৷বেনাপোল পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদারসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ‘মিথ্যা ও গায়েবি’ মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বেনাপোল পৌরসভার ৮নং বিএনপি’র সভাপতি আব্দুস সবুর।তিনি বলেন, আমরা বেনাপোল পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জননেতা ইসরাফিল সরদার, তার ছেলে ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।“৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল সরদার একজন জনপ্রিয় ও পরিচ্ছন্ন রাজপথের নেতা। এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে তার যে অবস্থান, তা ক্ষুণ্ন করতেই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন একটি ঘটনা সাজিয়ে তার এবং দলের অন্যান্য নেতাকর্মীদের নামে এই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।”আমাদের বিশ্বাস, একটি বিশেষ মহল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ মামলা দায়ের করেছে। আমরা জানতে পেরেছি যে, ঘটনার দিন বিকেলে ইসরাফিল সরদারের ছেলে ও ভাতিজারা ব্যক্তিগত একটি বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অফিসে গেলেও সেখানে কাউকে না পেয়ে ফিরে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে রাতের একটি হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় তাদের নাম জড়ানো হয়েছে, যা আমাদের কাছে রহস্যজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ মনে হচ্ছে।আমরা মনে করি, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সড়ক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপিত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষভাবে সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের লোকেশন এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্য যাচাই করলে প্রকৃত ঘটনা ও প্রকৃত অপরাধীদের পরিচয় বেরিয়ে আসবে।আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আইন নিজের গতিতে চলুক এবং প্রকৃত অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তবে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আমরা প্রশাসনের নিকট ঘটনা তদন্তে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের জোর দাবি জানাচ্ছি।১। ঘটনাটির সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে হবে।২। সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে হবে।৩। প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।৪। নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।আমরা বিশ্বাস করি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।পরিশেষে, আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সত্য ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। শেয়ার আইন-আদালতবিষয়: