চট্টগ্রাম দোহাজারী অংশে রেল চালু করা সময়ের দাবি : ডাঃ শাখাওয়াত হোসাইন হিরু এস.এম.এ জুয়েল এস.এম.এ জুয়েল স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ {“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[“local”],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:false,”containsFTESticker”:false} চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী লাইনে ট্রেন চালুর বয়স প্রায় ১০০ বছরের মত। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেল লাইনে ট্রেন চালু হওয়ার পূর্বে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী এবং দোহাজারি থেকে চট্টগ্রামে চার জোড়া ট্রেন অতি সুন্দরভাবে চলাচল করত। কিন্তু সময়ের বির্বতনে এসে চারজোড়া ট্রেন দূরে থাক একটি ডেমু ট্রেন চলাচল করতো তাও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ । বর্তমানে দোহাজারী থেকে চট্টগ্রাম শহরে চাকুরী ,ব্যবসা এবং লেখাপড়ার জন্য যারা বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আসা – যাওয়া করেন তারা আবার নিজ নিজ কাজ করে এলাকায় ফিরে আসেন । আমি ইতিপূর্বে সিআরবি ভবনের মিলনায়তনে গত বছর (২৯ জুন) সিনিয়র সচিবকে এবং (৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে অংশীজন সভায় রেলের রাজস্ব বৃদ্ধিতে এবং বিভিন্ন সংস্কারের বিষয়ে আমার বক্তব্য উপস্থাপন করি যাহা অনলাইনের সহ বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী সড়ক পথের সাথে নিকটতম রেলস্টেশন পটিয়া এবং চক্রশালা । অবশিষ্ট রেলস্টেশন যথাক্রমে ঝাউতলা,জালালীহাট ,গোমদন্ডী, বেঙ্গুরা,ধলঘাট,খানমোহনা,খরনা,কাঞ্চন নগর, খানহাট যাতায়াতের মূল সড়ক থেকে কোনটির অবস্থান এক কিলোমিটার আবার কোনটির অবস্থান দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । এক কিলোমিটার কিংবা দেড় কিলোমিটার দূরের যাত্রীদের জন্য খুব ভোরবেলা এবং রাত্রিবেলা যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক যাএীদের বিপদের সম্মুখীন হতে হয় ডাকাতি, ছিনতাইকারী কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাতে হয়। জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকে। এরকম নানাবিদ সমস্যা থেকে উওরণের একমাত্র সহজ পথ হল চট্টগ্রাম দোহাজারী ট্রেন অতি শীঘ্রই চালু করা । যাদের আয় খুবই স্বল্প পরিমাণে অর্থাৎ তাদের জন্য মানবিক বিবেচনায় চিন্তা ভাবনা করেও যদি চট্টগ্রাম দোহাজারী ট্রেনটি আবার চালু করা যায় তাহলে হাজার হাজার যাত্রী প্রতিনিয়ত উপকৃত হবেন । পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্বখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।চলতি মাসে গত (৯ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের জিএম এর ঢাকার রেলভবনের নিজ অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে উনার পরামর্শে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( আর এস ) , চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের সিওপিএস / ই এবং সিএমই/ ই কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে চট্টগ্রাম থেকে দোহজারী রেল চলাচলে সহয়তা কামনা করি।উল্লেখ্য যে গত ২০২৪ ইং সালের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমি নিরলস ভাবে চেষ্টা করে গেছি , তারই ধারাবাহিকতার ফলাফলস্বরূপ বিগত ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে প্রবাল এক্সপ্রেস এবং সৈকত এক্সপ্রেস নামে দুটি ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে নিয়মিত চলাচল করতেছে।একান্ত সাক্ষাৎকারে ডাঃ শাখাওয়াত হোসেন হিরু আরো বলেন ট্রেন দুটি চলাচলের জন্য যে সমস্ত মানবিক মানুষ এবং সেই সাথে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সাথে সাথে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী অংশে রেল চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি । শেয়ার অন্যান্যবিষয়: