‘শুভজন পদক’ পাচ্ছেন নন্দিত অভিনেতা ও চিকিৎসক ডাঃ এজাজ

প্রকাশিত: ২:৫২ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ১৩, ২০২৪

মানবিক মানুষ চাই’ স্লোগান ধারণ করে শুদ্ধধারার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে শুভজন। শুভজন দেশীয় শিল্প সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে শক্তিশালী বাহক হিসেবে কর্মময় ১২ বছর অতিক্রম করে প্রতিষ্ঠার ১৩ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে দীর্ঘ দুইবছর বিরতির পর আবারও শুরু হতে যাচ্ছে শুভজন পদক প্রদান অনুষ্ঠান। পূর্ববর্তী বছরের ধারাবাহিকতায় শুভজন পদক ২০২২ পাচ্ছেন নন্দিত অভিনেতা ও চিকিৎসক ডাঃ এজাজুল ইসলাম। শুভজনের যুগপূর্তি উৎসবে এটি প্রদান করা হচ্ছে। দেশের শিল্প-সংস্কৃতি, চিকিৎসা ও মানব সেবায় অসামান্য অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ডাঃ এজাজকে এ পদক প্রদানের পাশাপাশি ‘শুভজন’ উপাধিতেও ভূষিত করা হবে।
আগামী ১৬ নবেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬.০০ টায় রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এক আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মধ্যদিয়ে শুভজন’র ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ উৎসবে এ পদক তুলে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ডা. এজাজুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন  করেন। অভিনয় জগতে তার পদার্পণ নন্দিত সাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে। ‘তারকাটা’ চলচ্চিত্রের জন্য ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি সরকার নির্ধারিত ৩০০ টাকা ফিতে রোগী দেখেন এবং তার ভিজিট ফি কম হওয়ায় তাকে গরীবের ডাক্তার নামে ডাকা হয়।
দেশের সার্বিক উন্নয়নে সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিল্পকলা বা সমাজ বিনির্মাণের বিভিন্ন শাখায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশি বা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকগণকে প্রতি বছর দেওয়া হয় ‘শুভজন পদক’। বিগত ১০ বছর যাবত এ পদক দেওয়া হচ্ছে।
পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য পুরস্কার হিসেবে নগদ দশ হাজার টাকা মূল্যমানের প্রাইজ বন্ড পদক সম্মানী হিসেবে দেয়া হয় এবং শুভজন’র নির্দিষ্ট নকশার একটি ব্রোঞ্জ এওয়ার্ড ট্রফি, শুভজন’র শংসাপত্র এ পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত থাকে। কোন ব্যক্তি একবার ‘শুভজন পদক’ পেলে তাকে পরবর্তীতে পদকের জন্য বিবেচনা করা হয় না। প্রাথমিকভাবে শুভজন মরণোত্তর পদক দেয়ার কোন সিদ্ধান্ত নেই বলে জানিয়েছেন শুভজনের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় নির্বাহী পর্ষদের কার্য-নির্বাহী সভাপতি  তরুণ রাসেল।
এ পর্যন্ত শুভজন পদক পেয়েছেন- কবি আসাদ চৌধুরী (২০১৪), কামাল লোহানী (২০১৫), কবি কাজী রোজী (২০১৬), ড. আতিউর রহমান (২০১৭), শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার (২০১৮), সৈয়দ হাসান ইমাম (২০১৯), সৈয়দ আবদুল হাদী (২০২০) এবং কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন (২০২১) প্রমূখ।

Loading