বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নাদিরা বেগমের স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ২:২০ অপরাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৪

প্রখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত শিল্পী বাছাই বোর্ডের সদস্য, সংগীত মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদিরা বেগম গত ৬ নভেম্বর ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাতে ইন্তেকাল করেন।

৭ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলাকেন্দ্র মিলনায়তনে ভাওয়াইয়া অঙ্গন, ভাওয়াইয়া একাডেমি এবং ভাওয়াইয়া সংসদ যৌথভাবে তাঁর স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উক্ত স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব খলিল আহমদ। স্মরণানুষ্ঠান উদ্বোধন করেন সাবেক সচিব এবং ভাওয়াইয়া অঙ্গনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আবু আলম মো. শহিদ খান। স্মৃতি চারণ করেন – বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, রিত্বিক নাট্যজন এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব- লিয়াকত আলী লাকী; প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী-মো. খুরশিদ আলম, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্মসচিব- ড. মো. জাকেরুল আবেদীন, আব্বাসউদ্দীন স্মৃতি সংসদ, ঢাকার আহŸায়ক-প্রকৌশলী মঞ্জুরুল আলম; বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকার কলামিস্ট-মনজু আরা বেগম; বিশিষ্ট ভাওয়াইয়া শিল্পী এবং নাদিরা বেগমের বোন-রায়হানা বেগম, ভাওয়াইয়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক-মহিতুজ্জামান লাভলু। স্মরণানুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাওয়াইয়া অঙ্গনের চেয়ারম্যান-সাবেক অতিরিক্ত সচিব-কবি সরকার মাহবুব।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভাওয়াইয়া অঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, ভাওয়াইয়া বিষয়ক সংগঠন প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ এবং স্মরণানুষ্ঠানের সদস্যসচিব- একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এবং ভাওয়াইয়া একাডেমির যুগ্মমহাসচিব, ভাওয়াইয়া শিল্পী ও স্মরণানুষ্ঠানের আহŸায়ক-এসএম আমজাদ হোসেন দীপ্তি।

শ্রোতা অভিমত পর্বে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট একুশে পদকে ভূষিত আলোকচিত্রী পাভেল রহমান, গীতিকার হাসান মতিউর রহমান এবং ভাওয়াইয়া শিল্পী বদিয়ার রহমান।

দ্বিতীয় পর্বে শুরুতেই নাদিরা বেগমকে নিবেদিত মোস্তাফিজুর রহমানের রচিত ও সুরারোপতি ভাওয়াইয়া গান : “নাদিরা বেগমের কথা কওয়ায় যদি নাগে” পরিবেশন করা হয় সমবেতকণ্ঠে। এর পর ভাওয়াইয়া পরিবেশন করেন রায়হানা বেগম, তামান্না ইয়াসমিন, রোখসানা পারভীন রুপা, তামান্না নিগার তুলি, এসএম আমজাদ হোসেন দীপ্তি, রহিমা খাতুন, সাহস মোস্তাফিজ, মনিফা মোস্তাফিজ মন, এরফান হোসেন, আমেনা খাতুন, ফারহানা হীরা, শাকিলা নাজরিন লতা, সন্ধ্যা রানী দত্ত, বিপাশা পারভীনপ্রমূখ।

পরিবেশিত কয়েকটি গানের প্রথম চরণ : ও মুই পালকিতে না চড়িম ঢোলা লাগিবে, ও দ্যাওরা হাল ধরি যা চৌকির পাথারোত, ও মুই মনেরো হাউসে না করোঙ সাজ, ও মোর সোনার চান, ও মুই অতি ভোরে গেনু আবো জলের ঘাটে, এই যে গাড়ি না ধরিয়া, মুসলিম নারী শিক্ষার অগ্রদূতি বেগম রোকেয়াসহ ২০টি গান পরিবেশিত হয়।

Loading