সরকারি কর্মকর্তারা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন যেসব ক্ষেত্রে

প্রকাশিত: 6:07 PM , September 19, 2022

সরকারি কর্মকরতাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণের শর্ত শিথিল করেছে সরকার।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ-১ থেকে উপসচিব মহাম্মদ আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় এক্সপোজার ভিজিট-স্টাডি ট্যুর-এপিএ ও ইনোভেশনের আওতাভুক্ত বৈদেশিক ভ্রমণ-ওয়ার্কশপ-সেমিনারে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে সীমিত আকারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে।

যেসব ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণ করা যাবে-

পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় সরকারি অর্থায়নে এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা-বিশ্ববিদ্যালয়-দেশ কর্তৃক প্রদত্ত স্কলারশিপ-ফেলোশিপের আওতায় বৈদেশিক অর্থায়নে মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণ।

সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বৈদেশিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ভিত্তিতে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় আয়োজিত বিশেষায়িত বা পেশাগত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ।

বিদেশি সরকার, প্রতিষ্ঠান অথবা উন্নয়ন সহযোগীর আমন্ত্রণে ও সম্পূর্ণ অর্থায়নে আয়োজিত বৈদেশিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ।

সরবরাহকারী, ঠিকাদার, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে সেবা বা পণ্যের গুনগত মান নিরীক্ষা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ।

এর আগে গত ১২ মে অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৬ অধিশাখা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিদেশ সফরে নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করে। করোনার সময়েও কিছুদিন সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ স্থগিত রাখা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব প্রকার এক্সপোজার ভিজিট, স্টাডি ট্যুর ও ইনোভেশনের আওতাভুক্ত ভ্রমণ এবং ওয়ার্কশপ, সেমিনারে অংশগ্রহণসহ সব প্রকার বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এ আদেশ উন্নয়ন বাজেট ও পরিচালন বাজেট উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং কার্যকর হবে।

Loading