সংবাদকর্মীদের চাকরিচ্যুত না করতে তথ্যমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশিত: ৭:৩৩ অপরাহ্ণ , জুলাই ৩, ২০২০

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ করোনা মহামারির মধ্যে কোন সংবাদকর্মীকে চাকরিচ্যুত না করার পুনঃআহ্বান জানিয়েছেন। করোনা মহামারির মধ্যে কোন মানুষের চাকরিচ্যুতি অমানবিক। মালিকপক্ষকে এটা অনুধাবন করতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী আজ বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন ( সিইউজে) আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত সাংবাদিকদের করোনাকালীন সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ( সিইউজে) এর সভাপতি মো. আলী’র সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, ( সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সামসুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি কুদ্দুস আফরাত, ( সিইউজে) এর যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ড.হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্বের কোন দেশ করোনা মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত ছিল না। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এ ধরণের কোন মহামারি মোকাবেলা করার ইতিহাস নেই। এত ছোট ভাইরাস চোখে দেখা যায় না। এ ভাইরাস ছড়িয়ে না দিয়ে মানব জাতিকে সম্নিলিতভাবে মানব জাতিকে সুরক্ষা দেওয়া উচিত।
মন্ত্রী বলেন, প্রথম দিকে চায়না করোনাভাইরাসকে অস্বীকার করেছে। যে ডাক্তার করোনা ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন, চায়না সরকার তাকে গ্রেফতারও করেছিলেন। সে ডাক্তার শেষ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি বলেন ইউরোপের দেশগুলোতে মৃত্যুর মিছিল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষকে সুরক্ষা দিয়েছেন। শুরু থেকে ত্রাণ তৎপরতা চালু করেছেন। ত্রাণ অব্যাহত আছে। এখনও কোন মানুষ না খেয়ে মারা যায়নি।
ঈমাম মোয়াজ্জিনের কাছেও সাহায্যের টাকা পৌঁছে গেছে। ৭ কোটি মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে সরকার। সরকারের এমপি মন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাধারণ মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিতে গিয়ে।
মন্ত্রী আরও বলেন দেশের অর্থনীতি ও খেটে খাওয়া মানুষকে রক্ষা করার জন্য কাজ করছে সরকার।
সার্বিকভাবে সরকার করোনায় মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মৃত্যুর হার ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে কম। তাই অন্ধের মত সমালোচনা না করার আহব্বান জানান মন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম থেকে ১ হাজার ৫ শ’ সাংবাদিকদের মধ্য ২৫০ জনকে করোনা কালীন সহায়তার তালিকায় আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও গণমাধ্যমকর্মীদের সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী ।
চট্টগ্রামে ইউএসটিসি ও হলিফ্যামিলি হাসপাতালে সাংবাদিকদের চিকিৎসার অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে এ সময় জানানো হয়।