অন্যায়ের সাথে আপোষহীন জননেতা মঞ্জুরুল আলম রাজীব

প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ , মে ২৫, ২০২২

সাংবাদিক পুত্র মঞ্জুরুল আলম রাজীব। তিনি একাধারে সাবেক ভিপি সাভার কলেজ ছাত্র সংসদ,সাবেক সভাপতি সাভার কলেজ ছাত্রলীগ, সাবেক সভাপতি সাভার উপজেলা ছাত্রলীগ।

৭৫ এর পরবর্তি সময়কালীন এক জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা। তিনি ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়ন কালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হোন।

৭৫ এর কালো অধ্যায়ের পর যখন গুটি কয়েক লোক মুজিব হত্যার বিচার চেয়েছিলেন তখন মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও তার পরিবারের সকলেই সেই আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হোন। পিতা প্রবীণ সাংবাদিক ওয়াসিলউদ্দিন ছিলেন একজন কলমযোদ্ধা। ১৯৭১ সনে বঙ্গবন্ধুর ও মুক্তিগামি বাঙ্গালীর পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করায় গান পাউডার দিয়ে তার বসতবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল পাক হানাদার। তুখোড় এই ছাত্রনেতা খুব ছোটকাল থেকে বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ছিলেন। এই জায়গাতে আপসহীন একজন ব্যক্তি। প্রবীণ আওয়ামীলীগ এর নেত্রীবৃন্দর নজর কেড়েছেন বঙ্গবন্ধুর এই সৈনিক খুব ছোট্টকাল থেকেই।

৪ ভাই ৩ বোনের মধ্যে রাজীব ৫ম। একই পরিবারের ৩ ভাই আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত এটি সচরাচর দেখা যায়না। বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম জাকসু নির্বাচনে প্রতিদন্দীতা করেন এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, পরবর্তী সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হয়েও দীর্ঘদিন আগলে রেখেছেন আওয়ামীলীগ সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন কে। যখন স্বৈরাচারী বিএনপি জামাত সরকারের মামলা হামলার কারনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসাবে কাজ করা ছিলো কঠিন। ছোট ভাই ফখরুল আলম সমর সাভার কলেজ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক থেকে সর্ব শেষ ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালনে অত্যান্ত দুঃসময়ে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। স্বৈরাচারী বিএনপি জামাত সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের একমাত্র নৌকার কাণ্ডারি হয়ে সাভার আশুলিয়াকে আগলে রেখেছিলেন এই জননন্দিত এই মহান নেতা। বর্তমানে তিনি সফলতার সাথে সাভার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রামনের ফলে দেশে যখন নিম্ন আয়ের মানুষ হিমসিম খাচ্ছিলো, সেই সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্য, বস্ত্র ও পথ্য পৌছে দিয়েছেন। তার নির্দেশে সাভার আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন গুলো নিরলস ভাবে প্রধান মন্ত্রীর উপহার সহ মঞ্জুরুল আলম রাজীবের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিনিয়ত সহযোগীতা করে চলছেন।

একজন সফল সাংবাদিক পুত্র হওয়ায় তিনি একজন সাংবাদিক বান্ধব নেতা হিসেবে খুব জনপ্রিয়। অসুস্থ ও অবহেলিত সাংবাদিকের পাশে দাড়িয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এই জনপ্রিয় নেতা। এছাড়াও সমাজের সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে তার অবদান অনেক। প্রতিবাদী এ নেতা অন্যায় কে প্রশ্রয় না দেওয়ায় অনেকের রোষানলে পড়তে হয়। তাই আধুনিক সুশৃঙ্খল সাভার গড়তে মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর বিকল্প নেই বলে মনে করেন সাভারের সাধারন জনগন।