পাঠাও ফুডের ২৪ ঘন্টা ডেলিভারি সার্ভিসে যোগ দিল আরো ৭ রেস্তোরাঁ

প্রকাশিত: ৮:৩০ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ৫, ২০২১

ভোজনরসিকদের জন্য দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ফুড ডেলিভারি নিশ্চিত করতে নতুন করে সাতটি রেস্তোরাঁর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ‘পাঠাও ফুড’। এতে করে ‘পাঠাও ফুড’ এর গ্রাহকরা প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে যে কোন সময় তাদের পছন্দের খাবার হোম ডেলিভারির জন্য অর্ডার করতে পারবেন।ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত যেসব রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের দিন-রাত হোম ডেলিভারি সুবিধা দিতে পাঠাও এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, সেগুলো হলো- ‘জাপানিজ ফ্লেভারস’, ‘চাইনিজ রেসিপি’, ‘রোম এক্সপ্রেস’, ‘রোল স্পেস’, ‘ডে নাইট ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট’, ‘থাই এভরিডে’, ‘ভেনিস সেভেনটিন’। সম্প্রতি রাজধানীর পাঠাও অফিসে এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেস্তোরাঁগুলোর স্বত্বাধিকারী মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. মাসুদুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ, মো. রবিউল্লাহ এবং পাঠাও প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. মাসুদুর রহমান, মো. হাবিবুল্লাহ, মো. রবিউল্লাহ আপন ভাই। ফুড ডেলিভারিম্যান হিসেবে তাদের কর্মজীবন শুরু করলেও করোনাকালীন সময়ে, লকডাউনে তাদের সঞ্চয় ও অভিজ্ঞতা কে পুঁজি করে রেস্তোরাঁ ব্যবসায় এর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রচেষ্টা ও কর্মদক্ষতায় আজ তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ৭টি রেস্তোরাঁর সফল স্বত্বাধিকারী। এ সম্পর্কে পাঠাও প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ বলেন, “প্রযুক্তির বিকাশ ও জীবনযাপন-রীতিতে পরিবর্তন আসায় অনলাইন ফুড ডেলিভারির চাহিদা দেশে দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। করোনা মহামারি ও লকডাউনের সময়টাতে মানুষ এই সেবার ওপর আরো বেশি নির্ভরশীল হয়েছেন। সবদিক বিবেচনা করেই পাঠাও ফুড তার সেবার পরিধি বাড়াতে বহুমুখি উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকার সাতটি রেস্তোরাঁর সঙ্গে নতুন এই চুক্তির ফলে আমাদের গ্রাহকরা রাতদিন ২৪ ঘণ্টাই পাঠাও অ্যাপ থেকে তাদের পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারবেন। রাতের সময়টাতে যাদের কাজের ব্যস্ততা থাকে তারা এতে উপকৃত হবেন বলেই বিশ্বাস করে পাঠাও।”প্রসঙ্গত, দেশের সর্ববৃহৎ লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও অ্যাপের ‘পাঠাও ফুড’ অপশন থেকে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের দুই হাজারের বেশি রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার অর্ডার করতে পারছেন গ্রাহকরা। করোনাকালে ফুড ডেলিভারির ক্ষেত্রে পাঠাও এর সেবাদাতারা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন। এছাড়া ডেলিভারিকর্মীদের স্বাস্থ্যসতর্কতা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও তাদের টিকাদানের উদ্যোগও নিয়েছে কোম্পানিটি।