বাংলাদেশের শহর ও গ্রাম অঞ্চলের গরু খামারিরা এখন যথেষ্ট সমৃদ্ধশালি

প্রকাশিত: ১২:৫৭ অপরাহ্ণ , জুলাই ১৯, ২০২১

ইফতেখাইরুল আলম,নোয়াখালী

ভারত থেকেই গরু বাংলাদেশে রপ্তানি না হলে দেশীয় খামারিরা নায্য দাম পাবে এমন মন্তব্য করেন কিছু উচ্চ শিক্ষিত গরু খামারী উদ্যোর্গতাগন।
কয়েকজন খামারি বলেন,কুরবানীর ঈদের আগে ভারত থেকে যদি গরু রপ্তানি না হয়।এতে বাংলাদেশের কোন লস হবে না।এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখন আর আগের মত তেমন ভাবে না।
বিগত ১৫/২০ বছর আগে কুরবানির ঈদ এলে ভারতীয় গরুর উপর নির্ভর থাকতো বাংলাদেশ। ঐ সময়ে বাংলাদেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে সীমান্ত ও নদীপথ দিয়ে গরু নিয়ে আসতো বাংলাদেশে।
সেই জন্য ভারতীয় সরকার ভাবত!
ভারত বাংলাদেশে গরু রপ্তানি না করলে বাংলাদেশের বিশাল লস হবে।

তারেই ধারাবাহিকতায়,গত বছর ভারতের স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বলছেন,ভারত থেকে বাংলাদেশে আর গরু রপ্তানি করা হবে না।
তখন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন!
সেই সুবাদে,ভারত মনে করেছিল বাংলাদেশ এবারও গরুর জন্য তাদের কাছে মাথা নত করবে।বাস্তবতা হচ্ছে ভারত বোকার স্বর্গে বাস করছে।

সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রাম অঞ্চল জুড়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন জাতের গরু পালনের খামারী উদ্যোগেতা।
আর এতে লক্ষ করা যায়,এ দেশের বহু শিক্ষিত তরুণ উচ্চ শিক্ষা ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন জাতের গরুর খামার গড়ে তুলেছে।অপরদিকে,বিগত কয়েক বছর ধরে যে পরিমাণ গরু লালন পালন করা শুরু করা হয়েছে! এতে বুজা যাচ্ছে বাংলাদেশে কুরবানির গরুর আর কোন সঙ্কট থাকবে না।বিভিন্ন খামারীরা আসাবাদী হয়ে বলেন,বছর বছর ভারতীয় গরু যদি বাংলাদেশে না আসে তাহলে এ দেশীয় গরুর খামারীরা তাদের পরিশ্রমের নায্য দাম পেয়ে উপকৃত হবে এবং আস্তে আস্তে বাংলাদেশ সরকার এই খাতে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ শুরু করবে।

প্রতিবছর কুরবানির ঈদের আগে হুট করে ভারত থেকে গরু বাংলাদেশে আসার কারনে, এ দেশের খামারী ও ব্যক্তি উদ্যোগতা মালিকগন তাদের পরিশ্রমের নায্য দাম পায় না।
অপরদিকে,ভারত সিমান্ত থেকেই বেশীরভাগ গরু চোরাচালানে গরু দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দোষারপ করে।
আর এ চোরাচালানে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা একা জড়িত নয়,এতে তারাও জড়িত রয়েছে।
প্রতি বছর ভারতীয় সিমান্ত দিয়ে বিএসএফ এর প্রত্যক্ষ মদদে ভারত থেকে কিছু গরু চোরাচালানে বাংলাদেশে আসে।অন্যদিকে ভারতীয়রা অধিক লাভের আশায় গরু লালন পালন করে ঈদের আগে বাংলাদেশে পাঠায়।
এর আগে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছে, বাংলাদেশে গরু পাঠানো হবে না বলে হুশিয়ারি দেয়।এর পরেও কিছু অসৎ ব্যবসায়ী সেন্টিগ্রেড ভারত সীমান্তে গরু চোরাচালানে পাঠায়।
তাই এ দেশের বেশীর ভাগ খামারি চায় না ভারত থেকে কুরবানীর গরু আসুক বাংলাদেশে।অপরদিকে বিগত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে,কুরবানির জন্য বাংলাদেশের মানুষের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দেশীয় জাতের সুস্থ সভল গরু।